হুল দিবসের অনুষ্ঠানে সম্প্রতি খাতড়ার মুকুটমণিপুরে এসে এলাকায় ছোট মাপের চিড়িয়াখানা তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সদ্য জেলা প্রশাসনের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে মুকুটমণিপুরে ওই চিড়িয়াখানা গড়তে জমি চিহ্নিত করতেও মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।
মুকুটমণিপুর পর্যটনকেন্দ্রের আকর্ষণ বাড়াতে উদ্যোগী হওয়ার দাবি স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরেই তুলছেন। রাজ্যের মন্ত্রী তথা রানিবাঁধের বিধায়ক ক্ষুদিরাম টুডু ইতিমধ্যে মুকুটমণিপুরে রোপওয়ে তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন। সূত্রের খবর, প্রশাসনিকস্তরে এ নিয়ে আলোচনাও চলছে। এরই মাঝে ছোট মাপের চিড়িয়াখানা তৈরি নিয়েও তৎপরতা শুরু হয়েছে।
মুকুটমণিপুরে প্রায় ২৫০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে একটি হরিণ উদ্যান রয়েছে। সেখানে প্রায় ৮৮টি চিতল হরিণ রয়েছে বলে খবর। সেখানেই না অন্য কোথাও প্রস্তাবিত চিড়িয়াখানা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রশাসনের একটি অংশের দাবি, মুকুটমণিপুর পর্যটনকেন্দ্র থেকে হরিণ উদ্যানে যেতে ভরসা নৌকা। ফলে সেখানে যেতে পর্যটকদের একাংশ সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই জলাধারের আশপাশেসহজগম্য কোনও জায়গায় চিড়িয়াখানা তৈরি হলে সুবিধা হবে। চিড়িয়াখানায় কোন কোন পশু রাখা যেতে পারে, তা নিয়েওআলোচনা চলছে।
বাঁকুড়ার জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্ত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো মুকুটমণিপুরে চিড়িয়াখানা তৈরির জন্য জমি চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে। শীঘ্রই এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্যকেজানানো হবে।”
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)