Advertisement
E-Paper

ই-কন্যা প্রকল্প চালু বাঁকুড়ায়

চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য ‘বিনামূল্যে বিমা’ পরিষেবা চালু করল বাঁকুড়া ১ ব্লক দফতর। এ ছাড়াও ব্লকে চালু হল ‘ই-কন্যা’ প্রকল্প। যেখান থেকে নিখরচায় কম্পিউটার শিখে শংসাপত্র পাবে ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্পের আওতায় আসা ছাত্রীরা। নির্মল ব্লক গড়তে বাড়িতে শৌচালয় গড়লেই এক একটি পরিবারকে সরকারি নানা সুবিধা দেওয়ারও কথা ঘোষণা করলেন বিডিও।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০১৫ ০১:৩৫

চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য ‘বিনামূল্যে বিমা’ পরিষেবা চালু করল বাঁকুড়া ১ ব্লক দফতর। এ ছাড়াও ব্লকে চালু হল ‘ই-কন্যা’ প্রকল্প। যেখান থেকে নিখরচায় কম্পিউটার শিখে শংসাপত্র পাবে ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্পের আওতায় আসা ছাত্রীরা। নির্মল ব্লক গড়তে বাড়িতে শৌচালয় গড়লেই এক একটি পরিবারকে সরকারি নানা সুবিধা দেওয়ারও কথা ঘোষণা করলেন বিডিও।

বৃহস্পতিবার এই প্রকল্পগুলির উদ্বোধন উপলক্ষে বাঁকুড়া ১ ব্লক অফিসে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু, অতিরিক্ত জেলা শাসক (জেলা পরিষদ) নবকুমার বর্মন, বাঁকুড়া সদর মহকুমা শাসক অসীমকুমার বালা প্রমুখ।

এ দিন বাঁকুড়া ১ ব্লক দফতরের আটজন অস্থায়ী করণিক ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মীদের ও ব্লকের ছ’টি গ্রাম পঞ্চায়েতের কিছু অস্থায়ী কর্মীকে বিনামূল্যে বিমা পরিষেবার আওতায় আনুষ্ঠানিক ভাবে নিয়ে আসা হয়। ‘ই-কন্যা’ প্রকল্পে কম্পিউটার শেখার জন্য ১৮ জন কন্যাশ্রী প্রাপক ছাত্রীর রেজিস্ট্রেশনও হয় এ দিন। ব্লক প্রশাসনের তরফে বাড়িতে শৌচালয় গড়ে তুললেও নানা সরকারি সুবিধা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে তাঁদের উৎসাহী করার কথা জানানো হয়েছে এ দিন। বিডিও সুপ্রভাত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বাড়িতে শৌচালয় গড়লেই ওই পরিবারকে স্বাস্থ্য বিমা দেবে ব্লক দফতর। এ ছাড়াও বিপিএল পরিবারগুলিকে হাঁস, মুরগি, ছাগল চাষেও সহায়তা করা হবে।” তিনি জানান, ব্লকের প্রায় ৬০ শতাংশ বাড়িতেই শৌচালয় গড়ার কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ২০১৭ সালের মধ্যে এই ব্লককে নির্মল ব্লক করার লক্ষ নিয়েছে ব্লক প্রশাসন। মানুষকে শৌচালয় গড়তে আগ্রহী করতেই এই সুবিধা গুলি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

এ দিনের অনুষ্ঠানে ব্লককে নির্মল করতে পঞ্চায়েত সমিতি, গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের পাশাপাশি সরকারি ভাবে আর্থিক সাহায্যপ্রাপ্ত ক্লাবগুলিকেও এগিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা শাসক নবকুমারবাবু। তিনি বলেন, “প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যকে পাঁচটি, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যকে ১০টি করে পরিবারকে শৌচালয় গড়ার দায়িত্ব নিতে হবে। এ ছাড়া সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত ক্লাবগুলিকেও নিজেদের এলাকায় অন্তত ২০টি পরিবারকে শৌচালয় গড়ার লক্ষ নিয়ে এগোতে হবে।”

জেলাশাসক মৌমিতাদেবী ব্লকের তরফে কন্যাশ্রী প্রকল্পের ছাত্রীদের কম্পিউটার শেখানোর পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন। প্রতিটি কন্যাশ্রী প্রাপক ছাত্রীর পরিবারে শৌচালয় গড়ার বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টিও দিতে বলেছেন তিনি।

তিনি বলেন, “বাঁকুড়া ১ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লক দফতরের সমন্বয় অন্যান্য ব্লকের কাছেও দৃষ্টান্ত হওয়া উচিত। এক সঙ্গে কাজ করলে দ্রুত উন্নয়ন সম্ভব। ঠিক যেমন এই ব্লক করছে।” বাঁকুড়া ১ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ধবল মণ্ডল বলেন, “পিছিয়ে থাকা মানুষদের উন্নত পরিষেবা দিয়ে সামনের সারিতে নিয়ে আসাই আমাদের লক্ষ্য।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy