Advertisement
E-Paper

খুনের মামলায় আগাম জামিন বিজেপি নেতার

এফআইআরে নাম থাকলেও নিহতের ছেলের গোপন জবানবন্দিতে তাঁর নাম নেই। ফলে, সাত্তোরের তৃণমূল কর্মী রবাই চৌধুরী খুনে অভিযুক্ত পাড়ুইয়ের বিজেপি নেতা নিমাই দাসকে আগাম জামিন দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি অসীম রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ নিমাইবাবুর আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জুন ২০১৫ ০২:১৪

এফআইআরে নাম থাকলেও নিহতের ছেলের গোপন জবানবন্দিতে তাঁর নাম নেই। ফলে, সাত্তোরের তৃণমূল কর্মী রবাই চৌধুরী খুনে অভিযুক্ত পাড়ুইয়ের বিজেপি নেতা নিমাই দাসকে আগাম জামিন দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি অসীম রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ নিমাইবাবুর আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে।

পুলিশ জানায়, চলতি বছরের ৯ মার্চ রাতে পাড়ুই থানার সালন গ্রামের বাসিন্দা রবাইকে বোমা মেরে খুন করা হয়। নিহতের ছেলে আজিজুল চৌধুরী থানায় এফআইআর দায়ের করে দাবি করেন, তাঁর বাবা মসজিদ থেকে নমাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সময় নিমাই দাসের নেতৃত্বে জনা ১৫ লোক তাঁর বাবার উপর হামলা চালায়। পুলিশ নিমাই-সহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করে। তার ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানান কেন্দ্রীয় শুল্ক দফতরের কর্মী নিমাইবাবু। এ দিন তাঁর আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি আদালতে জানান, এফআইআরে নিমাইবাবুর নামে খুনের অভিযোগ থাকলেও, নিহতের ছেলে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যে গোপন জবানবন্দি দিয়েছেন, তাতে নিমাইবাবুর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ জানাননি।

বিচারপতি অসীম রায় সরকারি আইনজীবী শৈবাল বাপুলির কাছে জানতে চান, গোপন জবানবন্দিতে কী লেখা রয়েছে। সরকারি আইনজীবী আদালতে জানান, আজিজুল গোপন জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, শেখ মুস্তফা নামে এলাকার এক যুবক তাঁকে নিমাই দাসের বিরুদ্ধে জোর করে এফআইআর দায়ের করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। নিমাইবাবু তাঁর বাবার খুনে জড়িত নন। এ কথা শোনার পরে নিমাইবাবুর আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে ডিভিশন বেঞ্চ।

ঘটনাচক্রে এ দিনই রবাই খুনে জড়িত সন্দেহে পাড়ুইয়ের ভেড়ামারি গ্রামের বাসিন্দা, বিজেপি সমর্থক শেখ লালচাঁদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ দিন নিমাইবাবু বলেন, ‘‘আগেও শাসকদল তাদের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশে আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে। রবাই খুনেও আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এমনকী, আমার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থ়ী ছোট ছেলের নামেও ওরা মিথ্যা মামলা করেছে।’’ বিজেপি নেতা বলাই চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ‘‘পাড়ুইয়ে আমাদের শক্তিবৃদ্ধিতে আতঙ্কিত হয়েই আমাদের দলের নেতা-কর্মীদের নামে একের পর পর মিথ্যা মামলা সাজাচ্ছে তৃণমূল। নিমাই দাসের ক্ষেত্রে সেটাই প্রমাণিত হল।’’

ফাঁসানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতা মুস্তাক হোসেন। তাঁর পাল্টা প্রশ্ন, ‘‘রবাই খুনে বিজেপি-র যারা গ্রেফতার হয়েছে, তাদের জামিন হয়নি। অথচ নিমাই অভিযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও আগাম জামিন হয়ে গেল কী করে?’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy