পরীক্ষার নামে স্কুলে বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে, এই মর্মে অভিযোগ তুলে অভিভাবকেরা স্মারকলিপি দিলেন বিডিওকে। সোমবার পুঞ্চার গোপালপুর হাইস্কুলের ঘটনা। পুঞ্চার বিডিও অজয় সেনগুপ্ত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে অভিভাবক ও বাসিন্দাদের আশ্বাস দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে গোপালপুর হাইস্কুলে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য ফর্ম পূরণের জন্য টাকা জমা করতে হচ্ছে। গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং অভিভাবক শ্রীপতি মণ্ডল, গুরুপদ হাঁসদা, ভোলানাথ মুর্মুদের দাবি, সম্প্রতি ছেলেরা তাঁদের কাছে মাধ্যমিকের জন্য ৫০০ এবং উচ্চ মাধ্যমিকের জন্য ৬০০ টাকা চায়। অন্যত্র খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য ওই সব স্কুলে ২৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। শুধু গোপালপুর হাইস্কুল বেশি টাকা নিচ্ছে। অভিভাকদের আরও অভিযোগ, ‘‘ওই টাকার রসিদও দেওয়া হচ্ছে না স্কুল থেকে। এর প্রতিবাদ করলে বলা হয়, টাকা জমা না দিলে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না। প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে চেষ্টা করেও দেখা করতে পারিনি। বাধ্য হয়ে আমরা বিডিওকে স্মারকলিপি জমা দিয়েছি।’’ প্রধান শিক্ষক দেবীপ্রসাদ চক্রবর্তী জানান, অসুস্থ হওয়ায় তিনি ছুটিতে রয়েছেন।
বিডিও বলেন, ‘‘স্কুলের বিরুদ্ধে রসিদ ছাড়া বেশি ফি নেওয়ার অভিযোগ এনেছেন কিছু অভিভাবক। খবর নিয়ে জেনেছি, পরীক্ষার টাকার সঙ্গে স্কুল উন্নয়ন, সরস্বতী পুজো ও গ্রন্থাগারের ফি জোড়া হয়েছে। অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য আমি স্কুল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি।’’