বাড়িতে ১০জন সদস্য। তাঁর দাদা রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন নিগমের ঠিকাদারের অধীনে কাজ করেন। সেই আয়ের টাকাতেই কোনওমতে সংসার চলে।
এই অবস্থায় আর্থিক সাহায্যের জন্য রামপুরহাট মহকুমা প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন মাড়গ্রামের রাহাত খাঁ পাড়ার যক্ষ্মা আক্রান্ত যুবক রফিকুল আলম। খবর পেয়ে রামপুরহাটের মহকুমাশাসক সুপ্রিয় দাস সংশ্লিষ্ট বিডিওকে এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিতে বলেছেন। রামপুরহাট ২ ব্লকের বিডিও শাশ্বত দাশগুপ্ত জানান, শনিবার ওই যুবকের বাড়ি যান ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক।
রফিকুল জানান, বছর দু’য়েক আগে যক্ষায় আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবার মৃত্যু হয়। এক দাদা এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান বছর দে়ড়েক আগে। পরিবারের সবারই রোগ হচ্ছে দেখে তাঁর এক ভাই বাইরে কাজ নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। এখন পরিবারে রয়েছেন দশ জন। রফিকুল জানান, তাঁর দাদার একার সামান্য আয়ে সংসার চলে না। তিনি নিজেও অসুস্থতার জন্য কোনও কাজ করতে পারেন না। পড়শিরা তাঁদের বাড়িতে আসা যাওয়া করলেও খবরা খবর নেন না আত্মীয়-স্বজনরা। বাধ্য হয়েই প্রশাসনের কাছে সাহায্য চাইতে হয়েছে।
রামপুরহাট ২ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অভিজিৎ রায়চৌধুরী জানান, ওই যুবক বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের ছোট ছেলেমেয়েদের যক্ষা রোগের প্রতিরোধক আইএনএইচ টীকা দেওয়া হয়েছে বলে জানান অভিজিৎবাবু।