তাপমাত্রা বাড়লেও উত্তুরে হাওয়ার দাপটে সারা দিন ঠান্ডায় কেঁপেছে কলকাতা। সারা দিন রোদের দেখা মেলেনি। বিকেল পর্যন্তও সরেনি কুয়াশার চাদর। একই চিত্র দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গাতেও। সেই আবহেই আবহাওয়া দফতর জানাল, এ বার আরও পারদপতন হতে পারে রাজ্যে। আগামী কয়েক দিনে এক ধাক্কায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমে যেতে পারে তাপমাত্রা।
বর্ষশেষের ভোরে কলকাতায় ১১ ডিগ্রিতে নেমে গিয়েছিল পারদ। কিন্তু নতুন বছরের শুরু থেকেই তাপমাত্রা ধারাবাহিক ভাবে বেড়েছে। চার দিনে তিন ডিগ্রি বেড়ে রবিবার ১৪ ডিগ্রির ঘরে উঠে এসেছে পারদ। যদিও উত্তুরে হাওয়ায় ভাল মতোই ঠান্ডা অনুভূত হয়েছে দিনভর। আলিপুর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রায় বড়সড় পরিবর্তন হবে না। তবে পরবর্তী তিন দিনে পারদ এক ধাক্কায় দুই থেকে তিন ডিগ্রি নামতে পারে। ১১-১২ ডিগ্রির ঘরে নামতে পারে তাপমাত্রা। তার পরের তিন দিনও তাপমাত্রা ১১-১২ ডিগ্রির আশপাশেই থাকবে। আগামী পাঁচ দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের থেকে দুই থেকে চার ডিগ্রি কম থাকবে।
আরও পড়ুন:
পারদপতন হবে উত্তরবঙ্গেও। মঙ্গলবার থেকে তিন দিনে দুই ডিগ্রি পারদপতন হতে পারে উত্তরের জেলাগুলিতে। সোম ও মঙ্গলবার দার্জিলিঙে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে জারি হয়েছে ঘন কুয়াশার সতর্কতাও। দার্জিলিং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে আসতে পারে। দক্ষিণবঙ্গেও কুয়াশা থাকবে। আগামী তিন দিন দক্ষিণের সব জেলাতেই সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার পূর্বাভাস রয়েছে। দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে ৯৯৯ থেকে ২০০ মিটারে।
রবিবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। দক্ষিণবঙ্গের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল বহরমপুরে, ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দার্জিলিঙের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গে এটিই ছিল সর্বনিম্ন।