ভবানীপুর উপনির্বাচনে প্রত্যাশিতভাবেই তৃণমূল প্রার্থী হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে ভবানীপুর-সহ জঙ্গিপুর ও সামসেরগঞ্জের বিধানসভা ভোটেরও প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হল। কিন্তু সকলের আগ্রহ ছিল ভবানীপুরকে ঘিরেই। ২১ মে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ভবানীপুর বিধানসভা থেকে পদত্যাগের পরেই স্পষ্ট হয়েছিল যে এই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থী হবেন মমতাই।
শনিবার নির্বাচন কমিশন ভবানীপুর উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর মমতার ওই আসনে প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা ছিল সময়ের অপেক্ষা। তবে তৃণমূলনেত্রীর নাম ঘোষণার আগেই ভবানীপুরে অতি উৎসাহী তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা দেওয়াল লিখন থেকে শুরু করে হোর্ডিং, ব্যানার লাগানোর কাজ শুরু করে দিয়েছেন। ২০১১ সালের এই সেপ্টেম্বর মাসেই উপনির্বাচনে জিতে প্রথমবার বিধায়ক হয়েছিলেন মমতা। সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার শর্তও পালন করেছিলেন তিনি।
ভবানীপুর ছাড়াও রবিবার তৃণমূল জঙ্গিপুর আসনে প্রাক্তন মন্ত্রী জাকির হোসেন ও সামসের়গঞ্জে আমিরুল ইসলামকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রসঙ্গত, এই দুই আসনেই প্রার্থীদের মৃত্যুর কারণে ভোট হয়নি। ওই আসনে জাকির ও আমিরুলকেই প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। কিন্তু প্রথমে প্রার্থীদের মৃত্যুর কারণে নির্দিষ্ট সময় ভোট হয়নি। পরে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি হওয়ায় বিকল্প ভোটের দিন ঘোষণা করেও তা বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন। ২০১৬ সালেজাকির ও আমিরুলই তৃণমূলের প্রতীকে ওই আসনে জয় পেয়েছিলেন।