বিরোধীদের নামগন্ধ নেই। একের পর এক কলেজে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হচ্ছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। এই পরিস্থিতিতে নিজেরাই মারপিটে জড়িয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নাক কাটছেন কর্মী-সমর্থকেরা। দলীয় নেতৃত্বের বহু হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও রাশ টানা যাচ্ছে না ছাত্রনেতা ও কর্মীদের বিরুদ্ধে। হুগলি, পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুরের কলেজের পরে এ বার ঘটনাস্থল দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের ধ্রুবচাঁদ কলেজ। ৩১ জানুয়ারি কলেজের ছাত্র সংসদের ভোট। শনিবার প্রার্থী বাছাই সংক্রান্ত আলোচনায় বসেছিলেন কলেজের কিছু ছাত্রনেতা। সে সময়ে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা কিছু ছেলেকে নিয়ে চড়াও হন বলে অভিযোগ। মারপিট বেধে যায়। জখম হন দু’পক্ষের ৮ জন। পুলিশ আসে। তবে কোনও পক্ষই লিখিত অভিযোগ করেনি। চিকিৎসা করানো হয় কয়েকজনের। বেশ কয়েক বছর ধরেই ওই কলেজে ছাত্র সংসদ দখলে রেখেছে টিএমসিপি। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার দাবি, ঘটনার সময়ে তিনি আদৌ কলেজে ছিলেন না। অধ্যক্ষ সত্যব্রত সাহু বলেন, ‘‘কলেজে যাইনি। ঠিক কী হয়েছে বলতে পারব না।’’