Advertisement
E-Paper

এক দশকে দলের ‘অবিশ্বাস্য’ যাত্রা শেষে তিন ‘পদ্মাবতী’র মধ্যে এগিয়ে কে? আপাতত কি প্রথম স্থানে অগ্নিমিত্রা? কারণ কী

লকেট পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন। এক বার নয়, টানা তিন বার। দিলীপ ঘোষ বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদে থাকাকালীন লকেট প্রথম বার রাজ্য দলের সাধারণ সম্পাদক হন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ মে ২০২৬ ১৮:০০
What is the ranking of three ‘Lotus Didis’ after BJP ends an incredible spell of journey in Bengal

(বাঁ দিক থেকে) লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল এবং রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

সংখ্যাটা এখানে দুই নয়, তিন। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের উপন্যাসের নামকরণে লেখা সংখ্যাটা সামান্য বদলেছে। কিন্তু প্রেক্ষাপট প্রায় এক। অন্তত রূপকার্থে।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছিলেন ‘দুই নারী, হাতে তরবারি’। প্রেক্ষাপট ছিল বাঙালি মহিলাদের মার্কিন প্রবাস জীবন। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিতেও এখন তেমনই এক আখ্যান। তবে ‘দুই নারী’ নন, সে আখ্যানের ভরকেন্দ্রে ‘তিন নারী’। পশ্চিমবঙ্গের পদ্মকুঞ্জের তিন ‘পদ্মাবতী’। উপন্যাসের ‘দুই নারী’র মতো রাজ্য বিজেপির এই ‘তিন নারী’ও রাজনীতির জগতে আসলে ‘প্রবাসী’-ই। কারণ তাঁরা ছিলেন অন্য জগতের বাসিন্দা।

‘প্রবাস’ জীবনে তাঁরা পরস্পরের বিরুদ্ধে ‘হাতে তরবারি’ নিয়েছেন কি? জবাব তাঁরাই ভাল দিতে পারবেন। কিন্তু পরস্পরের মধ্যে প্রতিযোগিতা যে গোড়া থেকেই ছিল, সে কথা প্রায় কারও অজানা নয়। দল যখন পশ্চিমবঙ্গে অভূতপূর্ব ফল করল, তখন দলের তিন ‘দিদি’র মধ্যে প্রতিযোগিতার ফল কী দাঁড়াল? চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে বিজেপির অন্দরেই।

রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। প্রাথমিক পরিচিতি: অভিনেত্রী। পরে রাজনীতিতে এসেছেন।

লকেট চট্টোপাধ্যায়। প্রাথমিক পরিচিতি: অভিনেত্রী। পরে রাজনীতিতে এসেছেন।

অগ্নিমিত্রা পাল। প্রাথমিক পরিচিতি: ফ্যাশন ডিজ়াইনার। পরে রাজনীতিতে এসেছেন।

যে ক্রমে নামগুলো এল, সেই ক্রমেই পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিতে এঁদের আগমন। পরস্পরের চেয়ে এক-দু’বছর বা দু’তিন বছর আগে-পরে তাঁরা একে একে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তিন জনেই মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী হয়েছিলেন। তিন জনেই অচিরে রাজ্য বিজেপির অগ্রগণ্য মহিলা ‘মুখ’ হয়ে উঠেছিলেন। নানা উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে তিন জনই সে স্থান শেষ পর্যন্ত ধরে রেখেছেন। তবে সবার শেষে যিনি বিজেপিতে এসেছিলেন, সেই অগ্নিমিত্রাই আপাতত অন্য দু’জনকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেলেন। সংগঠনে লকেটের প্রভাব তথা দায়িত্ব অগ্নিমিত্রার চেয়ে বেশি। কিন্তু ‘ওজনদার’ সাংগঠনিক পদে থাকার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারে একেবারে প্রথম সারির মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়ে সামগ্রিক চিত্রে অগ্নিমিত্রাই এগিয়ে বলে বিজেপির বড় অংশ মনে করছে।

লকেট পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন। এক বার নয়, টানা তিন বার। দিলীপ ঘোষ বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদে থাকাকালীন লকেট প্রথম বার রাজ্য দলের সাধারণ সম্পাদক হন। পরে সুকান্ত মজুমদারের জমানাতেও লকেটকে সে পদে রেখে দেওয়া হয়। বর্তমানে শমীক ভট্টাচার্যের কমিটিতেও লকেট সেই দায়িত্বেই বহাল। বিজেপিতে সভাপতির পরেই সাধারণ সম্পাদক পদের গুরুত্ব। সাম্প্রতিক অতীতে সেই পদে একটানা তিনটি মেয়াদে কেউ বহাল থেকেছেন, এমন নজির বিরল। আর কোনও মহিলা রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক পদে একটানা তিন বার, এমনটা পুরোপুরিই বেনজির। ফলে লকেট যে সংগঠনে এখন যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ, তা নিয়ে কারও সংশয় নেই। কিন্তু রাজনৈতিক ‘ওজনে’ অগ্নিমিত্রা এখন লকেটকেও ছাড়িয়ে গিয়েছেন।

২০১৯ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন অগ্নিমিত্রা। বছর খানেকের মধ্যে মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী হন। তখনও রাজ্য বিজেপিতে দিলীপ-যুগ চলছে। ২০২১ সালের শেষ দিকে দিলীপকে সরিয়ে সুকান্তকে রাজ্য সভাপতি পদে বসায় দিল্লি। সুকান্তের কমিটিতে অগ্নিমিত্রার আরও উত্থান হয়। তিনি দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক হন। অর্থাৎ সংগঠনে লকেটের সমান মর্যাদায় পৌঁছে যান। কিন্তু সে সবের মাঝে একটি বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। ২০২১ সালের সে ভোটে হুগলির সাংসদ লকেট দলের নির্দেশে চুঁচুড়া বিধানসভায় লড়তে নেমে হেরে গিয়েছেন। কিন্তু অগ্নিমিত্রা প্রথম সুযোগেই আসানসোল দক্ষিণ আসন থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছেন। সাপলুডোর বোর্ডে দুই ‘পদ্মদিদি’র ওঠা-পড়ার সমীকরণ তখন থেকেই তৈরি হওয়া শুরু।

সাপলুডোর সেই সমীকরণে তখন অবশ্য এঁদের দু’জনের চেয়েই পিছিয়ে পড়েছেন আর একজন। তিনি এঁদের দু’জনেরই আগে বিজেপিতে যোগ দেওয়া রূপা। কারণ ২০১৬ সালে হাওড়া উত্তর বিধানসভা আসনে লড়ে হেরেছেন। পরে রাষ্ট্রপতি মনোনীত সাংসদ হিসাবে রাজ্যসভায় গিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু অচিরেই মহিলা মোর্চার সভানেত্রী পদ হাতছাড়া হয়েছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দল তাঁকে আর লড়ায়নি। পরে ২০২২ সালের কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে ৮৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী বাছাই নিয়ে দলের সঙ্গে তাঁর মতানৈক্য প্রকাশ্যে এসেছে। তিনি বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন। ফলে রূপা বিজেপিতে থাকবেন কি না, তা নিয়েই জল্পনা তৈরি হয়ে গিয়েছে।

বিজেপি যখন ক্ষমতায় এল, তখন অবশ্য তিন ‘দিদি’ই একসঙ্গে আলোকবৃত্তে হাজির। অগ্নিমিত্রা আসানসোল দক্ষিণ থেকে দ্বিতীয় বার বিপুল ব্যবধানে জিতে এসেছেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে। লকেট ভোটে না লড়ে সাংগঠনিক কাজেই নিবদ্ধ ছিলেন। দলের নির্বাচনী সাফল্যের নেপথ্যে তাঁর সে ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে। রূপা ১০ বছর পর আবার ভোটে লড়তে নেমেছিলেন। সোনারপুর দক্ষিণ থেকে তৃণমূলের ‘ওজনদার’ বিধায়ক অরুন্ধতী (লাভলি) মৈত্রকে হারিয়ে বিধানসভায় পৌঁছেছেন। অতএব অনেক দিন পরে রাজ্য বিজেপিতে ‘তিন দিদি’ আবার একসঙ্গে আলোচনার কেন্দ্রে।

লকেটের মতো অগ্নিমিত্রা দলের সাধারণ সম্পাদক পদে একটানা টিকে থাকতে না-পারলেও সহ-সভানেত্রী পদে রয়েছেন। পদের ‘ধার’ বেশি না-হলেও ‘ভার’ যথেষ্ট। পাশাপাশি একটানা দু’বারের বিধায়ক। সর্বোপরি শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভায় তিনি ‘নাম্বার থ্রি’। গত ৯ মে প্রথমে শপথ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। দ্বিতীয় শপথ দিলীপের। তার পরেই অগ্নিমিত্রা। মন্ত্রী হিসাবে কতটা গুরুত্ব পেতে চলেছেন, তখনই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। দফতর বণ্টন হতেই দেখা গেল পুর ও নগরোন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ তাঁর হাতে। সঙ্গে নারী ও শিশুকল্যাণ এবং সমাজকল্যাণ দফতরও।

বাকি দু’জনকে পিছনে ফেলে অগ্নিমিত্রার এই উত্থানের একমাত্র কারণ কি নির্বাচনী সাফল্য? বিজেপি নেতারা সে নিয়ে প্রকাশ্য মন্তব্যে নারাজ। তবে নাম না-প্রকাশের শর্তে কেউ কেউ বলছেন, ‘শুধু নির্বাচনী সাফল্য নয়, উপযুক্ত সময়ে নির্বাচনী সাফল্য’ হল আসল রহস্য। অগ্নিমিত্রা কোনও ভোটে হারেননি এমন নয়। বাবুল সুপ্রিয় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সময়ে আসানসোলের সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন। ২০২২ সালে সে আসনের উপনির্বাচনে বিজেপি অগ্নিমিত্রাকে প্রার্থী করেছিল। সে ভোটে তৃণমূলের শত্রুঘ্ন সিন্‌হার কাছে অগ্নিমিত্রা বিপুল ব্যবধানে হারেন। পরে ২০২৪ সালে বিজেপির জেতা আসন মেদিনীপুর থেকে দিলীপকে সরিয়ে অগ্নিমিত্রাকে সেখানে লড়তে পাঠায় বিজেপি। জেতা আসন হেরে ফেরেন অগ্নিমিত্রা। কিন্তু তাঁর বিধায়ক পদ টিকেই ছিল। ফলে পর পর দু’টি নির্বাচনে হারলেও জনপ্রতিনিধিত্ব হাতছাড়া হয়নি। বিধানসভায় বিজেপির মহিলা মুখ হিসাবে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে সোচ্চার থাকতে পেরেছেন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবার তিনি নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রে থেকে জিতে ফিরেছেন।

লকেটের হার-জিতের সময়কালটা এ রকম সুবিধাজনক ছিল না। ২০১৬ সালে প্রথম বার বিজেপির টিকিটে তিনি বীরভূমের ময়ূরেশ্বর বিধানসভা আসন থেকে লড়ে হেরে যান। ২০১৯ সালে অনেককে চমকে দিয়ে হুগলি লোকসভায় জেতেন। কিন্তু দু’বছরের মাথায় নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রের অধীনেই চুঁচুড়ায় লড়তে নেমে হেরে যান। দলের স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ প্রকাশ্যে আসতে থাকে। নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রের উপরে নিয়ন্ত্রণ ক্রমশ হারাতে থাকেন লকেট। ২০২৪ সালে হুগলি লোকসভা কেন্দ্রও তাঁর হাতছাড়া হয়ে যায়। ফলে অগ্নিমিত্রার মতো জনপ্রতিনিধিত্বে টিকে থাকা লকেটের আর হয়ে ওঠেনি।

আর রূপা ২০১৬ থেকে ২০২২ পর্যন্ত সাংসদ থাকলেও আসলে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে ক্রমশ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন। দলীয় কর্মসূচিতে তাঁকে কমই দেখা যাচ্ছিল। জনপ্রতিনিধিত্ব হাতছাড়া হলে সংগঠনকে আরও বেশি করে কী ভাবে আঁকড়ে ধরতে হয়, লকেট তা দেখিয়ে দিয়েছিলেন। ২০২২ সালে লকেটকে বিজেপি উত্তরাখণ্ডের নির্বাচনে কাজে লাগিয়েছিল। তৎকালীন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী ছিলেন উত্তরাখণ্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক। আর লকেট ছিলেন সহকারী পর্যবেক্ষক। সংসদীয় কাজকর্মের ব্যস্ততায় প্রহ্লাদ উত্তরাখণ্ডে বেশি সময় দিতে পারেননি। লকেট পুরো দায়িত্ব তুলে নিয়েছিলেন নিজের কাঁধে। পাহাড়ি রাজ্যটির দস্তুর ভেঙে বিজেপি টানা দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরেছিল। লকেট কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজরে পড়ে গিয়েছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সংগঠনে তাঁর গুরুত্ব যে বহাল থাকবে, তা সে সময়েই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল বলে অনেকে মনে করেন। কিন্তু রূপা সে ভূমিকা নিতে পারেননি। দলের দুঃসময়ে সংগঠনে আগের চেয়েও বেশি সময় দেওয়ার দূরদর্শিতা তিনি দেখাতে পারেননি।

‘তিন দিদি’র মধ্যে রূপা অনেকটা পিছিয়ে পড়লেও লকেট আর অগ্নিমিত্রার মধ্যে ‘লড়াই’টা অনেক দিন ধরেই ছিল তুল্যমূল্য। সে দৌড়ে অগ্নিমিত্রা আপাতত এগিয়ে গেলেন অধ্যবসায়ের জোরে। বলছেন বিজেপির একাধিক রাজ্য নেতা। তাঁদের মতে, অগ্নিমিত্রাকে যখন যে কাজ দেওয়া হয়েছে, তা তিনি সর্বশক্তি দিয়ে করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। কোনও বিষয় নিয়ে আন্দোলনে নামতে বলা হোক, কোনও থানায় গিয়ে ধর্নায় বসার নির্দেশ দেওয়া হোক, নারী নির্যাতনের ঘটনায় পথ অবরোধ করতে বলা হোক— অগ্নিমিত্রাকে দল যখন যা বলেছে, তিনি অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন। ফলাফলের কথা ভাবেননি। তাঁর আন্দোলনে কত লোক জমছে, আদৌ সে সবের কোনও প্রভাব পড়ছে কি না, অগ্নিমিত্রা সে সব নিয়ে মাথা ঘামাননি। দল যখন যে দায়িত্ব দিয়েছে, অগ্নিমিত্রা চোখ বন্ধ করে নিয়ে নিয়েছেন। ফলে সংগঠনে তিনি ক্রমশ ‘বাধ্য ছাত্রী’ হিসাবে নজর কাড়তে শুরু করছিলেন। লকেট সে দৌড়ে সামান্য হলেও পিছিয়ে পড়ছিলেন। কখনও সংগঠনের অন্দরে ‘মান-অভিমান’, কখনও তাঁকে ঘিরে দলবদলের জল্পনা মাথাচাড়া দেওয়া, কখনও ‘গোষ্ঠীকোন্দলে ক্লান্ত’ হয়ে নিজেকে কিছুটা আড়ালে সরিয়ে নেওয়া— এ সবও লকেটকে ধীরে ধীরে পিছিয়ে দিচ্ছিল বলে অনেকে মনে করছেন।

২০১৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তিনটি আসন ছিল বিজেপির। ঠিক ১০ বছর পরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ২০৭ আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গড়েছে বিজেপি। এই ১০ বছরের মধ্যেই রাজ্য বিজেপিতে যাত্রা শুরু রূপা, লকেট, অগ্নিমিত্রার। আর ১০ বছরের এই ‘অবিশ্বাস্য’ যাত্রা শেষে দল যখন ‘এক নম্বরে’, তখন তিন ‘পদ্মাবতী’র মধ্যে অগ্নিমিত্রাই যে ‘এক নম্বরে’, তা নিয়ে বিজেপি নেতাকর্মীদের মধ্যে তেমন সংশয় নেই।

আপাতত ‘এক নম্বরে’ থাকলেও, স্থান বহাল থাকবে তো? প্রথম সারির মন্ত্রী হিসাবে অগ্নিমিত্রা কতটা সাফল্য দেখাতে পারেন, তা অনেকেই দেখার অপেক্ষায়। সংগঠনে লকেট আরও প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন কি না, সে দিকেও নজর অনেকেরই। আর জীবনে প্রথম বার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়া রূপার উদ্যম এ বার কতটা বাড়ে, তার উপরেও বেশ কিছুটা নির্ভর করবে সমীকরণ।

Roopa Ganguly Locket chatterjee Agnimitra Paul BJP Leaders
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy