Advertisement
E-Paper

কাঁপছিল স্ত্রী, ভয়ে চিৎকার শুরু করি

তখন সকাল ৮ টা হবে। হাসপাতালে ঢুকেই পোস্ট মেটারনিটি ওয়ার্ডের দিকে পা বাড়িয়েছিলাম। ওই ওয়ার্ডেই স্ত্রী রুনা পারভিন, ও সদ্যোজাত ছেলে ভর্তি রয়েছে।

কুদ্দুস রহমান

শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০১৬ ০২:২৫

তখন সকাল ৮ টা হবে। হাসপাতালে ঢুকেই পোস্ট মেটারনিটি ওয়ার্ডের দিকে পা বাড়িয়েছিলাম। ওই ওয়ার্ডেই স্ত্রী রুনা পারভিন, ও সদ্যোজাত ছেলে ভর্তি রয়েছে।

ওয়ার্ডের ভিতর ঢুকে সবার মধ্যে একটা অস্বস্তি দেখতে পাই। স্ত্রীর কাছে গিয়ে শুনলাম সামান্য আগেই একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছে তাঁদের। কথা বলতে বলতেই আমার স্ত্রী কাঁপতে শুরু করেন। ক্রমশই সেই কাঁপুনি যেন বেড়ে যাচ্ছিল। এমন কেন হচ্ছে জানতে চাই কর্তব্যরত নার্সদের কাছে। তাঁরা গরম চা খাওয়ানোর পরামর্শ দেন। ঠাণ্ডার জন্য এমন হচ্ছে বলে জানান তাঁরা।

আবার স্ত্রীর সামনে গিয়ে দেখি তাঁর অবস্থা খুব খারাপ। আশেপাশের বেডে শুয়ে থাকা অন্যদের মধ্যেও এই কাঁপুনি ছড়াচ্ছিল। অনেকের খিঁচুনির মতো হচ্ছিল। খুব ভয় করছিল। চিৎকার শুরু করি। চিকিৎসককে ডাকতে বলি। সবাই মিলে ওয়ার্ড মাস্টারের ঘরে যাই। সবাই হইচই করতে থাকেন। এর মধ্যে ডাকা হয় চিকিৎসককে। প্রায় দু’ঘণ্টা এমন চলার পর অবশেষে চিকিৎসক আসেন। আবার একটি করে ইঞ্জেকশন দেন সবাইকে। পরিস্থিতি একটু ভাল হয়।

Advertisement

আজ আমরা হইচই না জুড়লে হয়ত চিকিৎসকই আসতেন না বা চিকিৎসকের আসতে অনেক দেরি হত। তাহলে কী হত উপরওয়ালাই জানেন।

(প্রতিবেদক ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী)

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy