Advertisement
E-Paper

ঘরে ফিরলে পুনর্বাসন, প্রক্রিয়া শুরু বাম শিবিরে

পরিস্থিতির ফেরে বিজেপি-র মোহ কাটছে। গেরুয়া শিবির ছেড়ে যাঁরা ঘরে ফিরতে চান, তাঁদের জন্য পুনর্বাসনের ভাবনাও শুরু হয়ে গেল বাম শিবিরে। বিজেপি-র সংগঠন সরকারি কর্মচারী পরিষদের রাজ্য সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজ্য স্তরে এই ‘ঘর ওয়াপসি’র আনুষ্ঠানিক সূচনা শুরু করেছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রাক্তন যুব সম্পাদক অনির্বাণ চৌধুরী।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৩:১১

পরিস্থিতির ফেরে বিজেপি-র মোহ কাটছে। গেরুয়া শিবির ছেড়ে যাঁরা ঘরে ফিরতে চান, তাঁদের জন্য পুনর্বাসনের ভাবনাও শুরু হয়ে গেল বাম শিবিরে। বিজেপি-র সংগঠন সরকারি কর্মচারী পরিষদের রাজ্য সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজ্য স্তরে এই ‘ঘর ওয়াপসি’র আনুষ্ঠানিক সূচনা শুরু করেছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রাক্তন যুব সম্পাদক অনির্বাণ চৌধুরী। সেই ফ ব-রই প্রবীণ রাজ্য সম্পাদক অশোক ঘোষ দলের পুরনো নেতা-কর্মীদের জন্য পুনর্বাসনের প্রথম ইঙ্গিত দিয়েছেন।

অনির্বাণের পথ ধরে বিজেপি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তাঁর আরও কয়েক জন অনুগামী, যাঁরা আগে ফ ব-তেই ছিলেন। প্রাক্তন যুব সম্পাদককে নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ফ ব-র রাজ্য সম্পাদক অশোকবাবু রবিবার বলেছেন, ‘‘উনি যাতে স্বচ্ছন্দে আবার দলের কাজ করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করতে আমরা আগ্রহী। দলের সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত বিশ্বাসের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলব। তার পরে দলের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া কী আছে, দেখা হবে।’’ দেবব্রতবাবু অবশ্য ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, যাঁরা এক সময়ে তৃণমূল বা বিজেপি-তে গিয়েছিলেন, তাঁরা নিজেদের ভুল বুঝতে পারলে তাঁদের সঙ্গে কাজ করতে বামপন্থীদের অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। অশোকবাবুরা মনে করছেন, ঘরে ফিরিয়ে এনে পুরনো নেতা-কর্মীদের ফের দলের কাজ করার সুযোগ দিতে পারলে গোটা বাম শিবির সম্পর্কেই এই মুহূর্তে ইতিবাচক বার্তা যাবে। সিপিএমের নেতৃত্বও শরিক নেতাদের সঙ্গে ঘরোয়া আলোচনায় একই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন।

ফ ব-র রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্যের কথায়, ‘‘অনির্বাণদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা নেতৃত্ব কোনও সুপারিশ করে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পাঠালে রাজ্য স্তরে তা বিবেচনা করা হতে পারে।’’ দলীয় সূত্রের খবর, ফ ব-র উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদকমণ্ডলী আজ, সোমবারই বৈঠক করে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আর অশোকবাবু জানিয়েছেন, শীঘ্রই তাঁরা রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী ও রাজ্য কমিটির বৈঠক ডাকবেন। দলের বিশেষ সম্মেলনের আগেই ‘ঘরে ফেরানো’র প্রক্রিয়া সেরে ফেলতে চান তাঁরা।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy