Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

বারাসত রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নন্দলাল কলেজে ৪২ বছর ধরে পরিচালন সমিতির নির্বাচন হয়নি। ১৫ দিনের মধ্যে সেই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট তৈরি করে কলকাতা হাইকোর্টে জমা দিতে হবে বলে সোমবার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অশোক দাস অধিকারী। নন্দলাল কলেজের কর্তৃপক্ষ বা বিশ্ববিদ্যালয়ও পরিচালন সমিতির নির্বাচন নিয়ে কখনও মাথা ঘামাননি বলে অভিযোগ। ৪২ বছর আগের পরিচালন সমিতিই (যার অনেক সদস্যই এখন মৃত) কলেজ চালিয়ে যাচ্ছে।

শেষ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০১৪ ০৪:৩৬

নির্বাচন ছাড়াই ৪২ বছর ধরে চলছে কলেজ

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

বারাসত রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নন্দলাল কলেজে ৪২ বছর ধরে পরিচালন সমিতির নির্বাচন হয়নি। ১৫ দিনের মধ্যে সেই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট তৈরি করে কলকাতা হাইকোর্টে জমা দিতে হবে বলে সোমবার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অশোক দাস অধিকারী। নন্দলাল কলেজের কর্তৃপক্ষ বা বিশ্ববিদ্যালয়ও পরিচালন সমিতির নির্বাচন নিয়ে কখনও মাথা ঘামাননি বলে অভিযোগ। ৪২ বছর আগের পরিচালন সমিতিই (যার অনেক সদস্যই এখন মৃত) কলেজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই নিয়ে হাইকোর্টে মামলা হয়। শুনানিতে বিচারপতি দাস অধিকারী বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করে তপন কাঞ্জিলাল নামে এক জন স্পেশ্যাল অফিসার নিয়োগ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কৌশিক গুপ্ত ও রেজিস্ট্রার রামপদ বেরাকে সশরীরে হাইকোর্টে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। কৌশিকবাবু ও রামবাবু এ দিন হাজির হলে বিচারপতি তাঁদের কাছে জানতে চান, এক-দু’বছর নয়, ৪২ বছর পরিচালন সমিতির নির্বাচন ছাড়া কলেজ চলছে কী করে? উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের আইনজীবী জানান, বারাসত রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়স বেশি নয়। এর আগে ওই কলেজ ছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ও তখন পরিচালন সমিতির নির্বাচন ছাড়াই ওই কলেজ চলতে দিয়েছে। বিচারপতি তখন স্পেশ্যাল অফিসারকে ১৫ দিনের মধ্যে ওই কলেজের পরিচালন সমিতির নির্বাচনের নির্ঘণ্ট তৈরি করে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

গুরুঙ্গ এ বার হাইকোর্টে

নিজস্ব সংবাদদাতা • দার্জিলিং

মদন তামাঙ্গের নিরাপত্তারক্ষীকে খুনের চেষ্টার মামলায় ফের আগাম জামিনের আবেদন করলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা সভাপতি বিমল গুরুঙ্গ এবং তাঁর স্ত্রী। তবে এ বার কলকাতা হাইকোর্টে। গত ১৪ মার্চ ওই মামলায় বিমল এবং আশা গুরুঙ্গের জামিনের আবেদন দার্জিলিং জেলা আদালতে খারিজ হয়। মোর্চার এক শীর্ষ নেতার কথায়, “সোমবারই হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (আজ) আবেদনটি তালিকাভুক্ত হয়ে শুনানির দিন স্থির হওয়ার কথা রয়েছে।” ২০১০-এর ২১ মে দার্জিলিঙের ক্লাব সাইডে গোর্খা লিগ নেতা মদন তামাঙ্গ খুন হন। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল মহেশ ঠাকুরি ৩৬ জনের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে গুরুঙ্গ দম্পতিও ছিলেন। ওই মামলায় অভিযুক্ত ৩৬ জনের মধ্যে ১৮ জন কলকাতায় বন্দি রয়েছেন। আট জন জামিন পেয়েছেন। পুলিশের নথিতে বাকিরা পলাতক। সেই তালিকাতেই গুরুঙ্গ দম্পতির নাম রয়েছে। সেই তালিকায় মোর্চার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে রোশন গিরি, হরকাবাহাদুর ছেত্রি, রমেশ আলেদের নামও রয়েছে।

উন্নয়নে ঢিলেমি নয়: মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

প্রকল্প রূপায়ণে যাতে ঢিলেমি না-থাকে, সেই বিষয়ে সচিবদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার নবান্নে সচিবদের সঙ্গে মুখ্যসচিব সঞ্জয় মিত্রের বৈঠকে তিনি বলেন, নির্বাচনের দোহাই গিয়ে কোনও কাজ ফেলে রাখা যাবে না। যে-সব প্রকল্প নির্বাচন ঘোষণার আগেই শুরু হয়েছে, সেগুলির গতি যেন শ্লথ না-হয়। ঠিক হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখবেন মুখ্যসচিব। প্রশাসনিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কোন দফতরের কাজ কতটা এগিয়েছে, এ দিনের বৈঠকে তা খতিয়ে দেখা হয়। নবান্ন সূত্রের খবর, অধিকাংশের কাজে সন্তোষ প্রকাশ করলে কয়েকটি দফতরের অগ্রগতিতে তিনি যে মোটেই খুশি নন, তা জানিয়ে দেন মমতা।

নন্দীগ্রাম মামলা

নন্দীগ্রাম কাণ্ডে লক্ষ্মণ শেঠ-সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা আলাদা আলাদা ভাবে শোনার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। নন্দীগ্রামে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে সিপিএম কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে মোট চারটি এফআইআর হয়। বাম জমানাতেই ওই ঘটনায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন ২২ জন। পরে তৃণমূল সরকার সিপিএম নেতা লক্ষ্মণ শেঠ-সহ মোট ৮৮ জনকে অভিযুক্ত করে। চারটি মামলাকে সংযুক্ত করে তদন্ত চালিয়ে পুলিশকে চার্জশিট দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানান একটি মামলায় অভিযুক্ত রবীন্দ্রনাথ ভুঁইয়া। তাঁর আর্জি মেনে ওই মামলাগুলিকে আলাদা আলাদা ভাবে শোনার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি এ কে পট্টনায়ক ও বিচারপতি মহম্মদ খলিফুল্লার বেঞ্চ।

পথে বামেরা

তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের দাবিতে এবং চাকরির নামে রাজ্য সরকারের প্রতারণার প্রতিবাদে আগামী ২৮ মার্চ রাজ্যের সব বিধানসভা কেন্দ্রভিত্তিক এলাকায় পথে নামছে বাম যুবরা। ভোটের মুখে এসএসসি, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের টেট-সহ নানা পরীক্ষায় অব্যবস্থার কথা তুলে সরকার-বিরোধী মিছিলে ওই দিনটি কাজে লাগাতে চান বামেরা।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy