Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

রফতানি বন্ধ করে, মজুতদারির বিরুদ্ধে হুমকি দিয়ে, এমনকী সরকারি বিক্রয় কেন্দ্র খুলেও আলু-পেঁয়াজের দামে লাগাম পরানো যাচ্ছে না। তাই দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য এ বার ওই দু’টি সব্জির উপর থেকে ‘কৃষি বিপণন লেভি’ প্রত্যাহার করে নিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্নে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে গঠিত বিশেষ মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শেষ আপডেট: ১৮ জুলাই ২০১৪ ০৩:৪২

আলু-পেঁয়াজের দামে রাশ টানতে লেভি রদ

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

রফতানি বন্ধ করে, মজুতদারির বিরুদ্ধে হুমকি দিয়ে, এমনকী সরকারি বিক্রয় কেন্দ্র খুলেও আলু-পেঁয়াজের দামে লাগাম পরানো যাচ্ছে না। তাই দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য এ বার ওই দু’টি সব্জির উপর থেকে ‘কৃষি বিপণন লেভি’ প্রত্যাহার করে নিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্নে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে গঠিত বিশেষ মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, আলু-পেঁয়াজের উপরে কৃষি বিপণন লেভি বাবদ নিশ্চিত রাজস্ব বাঁধা ছিল। সেই রাজস্বের অঙ্কটাও বেশ মোটা। স্থানীয় বাজারে বিক্রীত আলু থেকে বছরে ছ’কোটি ৩৪ লক্ষ এবং পেঁয়াজ থেকে এক কোটি ২৫ লক্ষ টাকা আয় হত রাজ্যের। সেই আয়ের উৎস বন্ধ হবে জেনেও বাজারে আলু-পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সরকার এই লেভি মকুব করে দিয়েছে। কৃষি বিপণন মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার দাম নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু পরামর্শ পাঠিয়েছে। কৃষি বিপণন লেভি প্রত্যাহার করে নেওয়ায় আলুর দাম কিছুটা হলেও কমতে পারে।” খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং কৃষিমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুও এ দিন মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরাও জানান, লেভি প্রত্যাহারের পরে বাজারে তার কেমন প্রভাব পড়ে, সেটা যাচাই করা হবে। প্রয়োজনে সরকার দাম নিয়ন্ত্রণে আরও কিছু পদক্ষেপ করবে। সরকারের বিভিন্ন দফতরের তরফে কলকাতা এবং অন্যান্য জেলায় আলু-পেঁয়াজ বিক্রির জন্য অস্থায়ী দোকান খোলা হচ্ছে। গত বছর সরকার প্রতি কিলোগ্রাম ১৩ টাকা দরে আলু বিক্রি করেছিল। এ বার ১৪ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করতে নেমেছে সরকার। ইতিমধ্যেই এই ধরনের কিছু দোকান খোলা হয়েছে। এ বার দোকানের সংখ্যা অনেকটাই বাড়ানো হবে। এ দিনের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, কৃষি, খাদ্য, কৃষি বিপণন প্রভৃতি দফতর নিজেরাই আলু-পেঁয়াজের অস্থায়ী দোকান খুলবে। আলুর দাম বেঁধে দিলেও রাজ্য সরকার এখনই পেঁয়াজের দাম নির্দিষ্ট করে দেওয়ার পক্ষপাতী নয়। তবে রাজ্যের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের ‘বাফার স্টক’ বা মজুত যাচাই করার জন্য বেশ কিছু ব্যবস্থা নিতে চলেছে তারা। প্রয়োজনে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চকে এই মজুত যাচাইয়ের কাজে লাগানো হবে।

Advertisement

জ্ঞানবন্ত-রিপোর্ট সামনে আনার দাবি

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

রিজওয়ানুর কাণ্ডে আইপিএস অফিসার জ্ঞানবন্ত সিংহ জড়িত থাকার বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করার দাবি তুললেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু। বৃহস্পতিবার বহরমপুরের এফইউসি ময়দানে জ্যোতি বসুর জন্মশতবর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনটা বলেন তিনি। পাড়ুই কাণ্ডের চার্জশিট থেকে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের নাম বাদ দেওয়ারও সমালোচনা করেন বিমান বসু। তিনি বলেন, “পাড়ুই কাণ্ডে অভিযুক্তদের রেহাই দিতে রাজ্য সরকার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্রের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা থাকলে এই রকম করত না।” তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করলেও এ দিন প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের বিধানচন্দ্র রায়ের প্রশংসা করেন বিমানবাবু। তিনি বলেন, “বিধানচন্দ্র রায়ের আমলেও অত্যাচার হয়েছে। তবে বিরোধীদের তিনি মর্যাদা দিতেন।”

সৌরভের বাড়িতে মোতায়েন পুলিশ

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

বামনগাছির কলেজ ছাত্র সৌরভ চৌধুরীর খুনের ঘটনার দশ দিন পরে পুলিশ পাহারা বসানো হল তাঁর বাড়ির সামনে। গত ৭ জুলাই রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছিল ওই যুবককে। এ ক’দিন এলাকায় পুলিশ পিকেট, টহলদারি থাকলেও বৃহস্পতিবার থেকেই সৌরভের বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ দিকে, বাড়ির সামনে মদের আসর বসানোর প্রতিবাদ করে মঙ্গলবার রাতে দুষ্কৃতীদের হাতে প্রহৃত হন সৌরভ চৌধুরীর বন্ধু শ্রীকান্ত ভদ্র। এ দিন নিরাপত্তার দাবিতে শ্রীকান্তকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশের কাছে স্মারকলিপি দেন জেলা কংগ্রেস নেতা সম্রাট তপাদার। আজ, বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় বললেন, “এলাকায় পুলিশি টহল, ক্যাম্প করা হয়েছে। নজরদারিও এখন আগের থেকে বাড়ানো হয়েছে।”

পাড়ুই মামলার চার্জশিট গৃহীত

সাগর ঘোষ হত্যা মামলায় বিশেষ তদন্তকারী দলের (সিট) জমা দেওয়া চার্জশিট গ্রহণ করল সিউড়ি আদালত। বৃহস্পতিবার সিউড়ির মুখ্যবিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায় তা গ্রহণ করেন। আইনজীবী কুন্তল চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিচারক তদন্তকারীদের ওই চার্জশিট গ্রহণ করে তা পড়ে দেখেছেন।” সিট সূত্রের খবর, একটি মুখবন্ধ খামে বুধবার বিকেলেই সিট পাড়ুই-কাণ্ডে ১৬৩ পাতার একটি চার্জশিট জমা করেছে। নিহতের পুত্রবধূ শিবানী ঘোষ ওই খুনের ঘটনায় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল এবং সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী-সহ মোট ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। যদিও কুন্তলবাবু জানিয়েছেন, চার্জশিটে তৃণমূলের সাত্তোর অঞ্চল সম্পাদক শেখ মুস্তফা, তাঁর ছেলে শেখ আসগর, কসবা অঞ্চল সভাপতি শেখ ইউনুস-সহ দলের আট নেতা-কর্মীর নাম থাকলেও দলের জেলা সভাপতি ও জেলা পরিষদের সভাধিপতির নাম নেই।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy