Advertisement
E-Paper

রোজ ৭টি অভ্যাসই যথেষ্ট, শরীরের বিপাকীয় স্বাস্থ্য উন্নত করতে পারে সহজ এক রুটিন, রইল সন্ধান

নতুন প্রজন্মের মধ্যে শরীরের বিপাক ক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। আর ফলাফল? ওজন বৃদ্ধি, শক্তি হ্রাস, সারা ক্ষণের ক্লান্তি। চিকিৎসকেরা বলছেন, বিপাক ক্রিয়া বা মেটাবলিজ়ম বাড়ানো কোনও জটিল বিজ্ঞান নয়। বরং রোজের ছোট ছোট কিছু অভ্যাস বদলালেই শরীর আবার সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৫৮
বিপাক ক্রিয়া উন্নত করুন রোজের ৭ অভ্যাসে।

বিপাক ক্রিয়া উন্নত করুন রোজের ৭ অভ্যাসে। ছবি: সংগৃহীত।

অফিসের চাপে সারা দিন বসে থাকা, অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া আর কম ঘুম— এই তিনের জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শরীরের বিপাক ক্রিয়া। নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। আর ফলাফল? ওজন বৃদ্ধি, শক্তি হ্রাস, সারা ক্ষণের ক্লান্তি। কিন্তু চিকিৎসকেরা বলছেন, বিপাক ক্রিয়া বা মেটাবলিজ়ম বাড়ানো কোনও জটিল বিজ্ঞান নয়। বরং রোজের ছোট ছোট কিছু অভ্যাস বদলালেই শরীর আবার সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

কোন কোন অভ্যাসে বদল আনার প্রয়োজন রয়েছে?

১. ঘুম: ভাল ঘুম বিপাক ক্রিয়ার উপর সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলে। ঠিক মতো না ঘুমোলে শরীর ক্যালোরি পোড়াতে পারে না, হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং খিদে বেড়ে যায়। পাশাপাশি শরীর তার কোষের মেরামতির সময় পায় না। তাই নিয়মিত ভাল ঘুমকে প্রাধান্য দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

Advertisement

২. পেশি: পেশির টিস্যু বিপাকীয় ভাবে সক্রিয়। অর্থাৎ, বিশ্রামের সময়েও পেশি ক্যালোরি পোড়াতে পারে। অনেকেই ভাবেন, শুধু কার্ডিয়ো করলেই ওজন কমবে। কিন্তু পেশির ভর যত বাড়ে, শরীর তত বেশি ক্যালোরি পোড়ায়। সপ্তাহে ২-৩ দিন শক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম করলে দীর্ঘ মেয়াদে বিপাকীয় স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়।

৩. চা: দৈনন্দিন অভ্যাসে ছোট একটি সংযোজনও বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। আর তা হল, গ্রিন টি। এতে থাকা উপাদান শরীরের ক্যালোরি খরচ কিছুটা বাড়াতে সাহায্য করে, পাশাপাশি খিদে নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। বিপাক ক্রিয়াও ধীরে ধীরে ভাল ভাবে হয়।

৪. ক্যাফিন: অনেকের প্রিয় কফিও এখানে ভূমিকা পালন করে। কফির ক্যাফিন শরীরে অল্প সময়ের জন্য মেটাবলিজ়ম বাড়ায়, ওজন ঝরায় এবং শক্তি বৃদ্ধি করে শরীরচর্চাকে আরও কার্যকর করে তোলে।

৫. জল: ঠান্ডা জল পান করলে বিপাকীয় ক্রিয়া বৃদ্ধি পেতে পারে। ঠান্ডা জল পান করার পর শরীর সেই জলের তাপমাত্রা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আনার চেষ্টা করে। তাতে খানিকটা ক্যালোরি খরচ হয়। ফলে সামান্য হলেও মেটাবলিজ়ম বাড়ে। পাশাপাশি, শরীর হাইড্রেটেড থাকলে অযথা খাওয়ার প্রবণতাও কমে।

৬. মশলা: লঙ্কাগুঁড়ো, গোলমরিচ, আদা, হলুদের মতো মশলা অল্প হলেও ক্যালোরি পোড়াতে এবং অতিরিক্ত খিদে পাওয়ার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। বাড়তি ক্যালোরি যোগ না করেও স্বাদ বৃদ্ধি করে খাবারে।

৭. স্বাস্থ্যকর চর্বি: স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের কথাও ভুললে চলবে না। বিশেষ করে মাছের তেল শরীরে শক্তির খরচ বাড়াতে, ফ্যাট পোড়ানোর প্রক্রিয়া উন্নত করতে এবং পেশি মজবুত রাখতে সাহায্য করে।

Metabolism Metabolic Rate
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy