E-Paper

গণধর্ষণ কাণ্ডে ধৃত নাতি, দারের ইস্তফার দাবি

ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া বয়ানে দুই অভিযোগকারিণীর এক জন জানিয়েছেন, রাজ়া দারের সঙ্গে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবসায়ে যুক্ত ছিলেন ওই দুই মহিলা। তাঁদের পাকিস্তানে আনার জন্য ভিসার ব্যবস্থা করেন রাজ়াই। তার পরে লাহোরে যে বাড়িতে তাঁরা ছিলেন, সেখানে হানা দেয় এক দল সশস্ত্র দুষ্কৃতী।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬ ০৭:০০
পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার।

পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার। — ফাইল চিত্র।

নাতি গ্রেফতার হয়েছেন দুই বিদেশি মহিলাকে গণধর্ষণের মামলায়। পাকিস্তানে ক্রমশ জোরালো হচ্ছে সে দেশের উপপ্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী ইশাক দারের ইস্তফার দাবি। আজ সমাজমাধ্যমে এই দাবি জানিয়েছেন পাক আইনসভা সেনেটের সদস্য ফয়সল ভওডা। তিনি পাক সেনার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। লাহোর পুলিশ জানিয়েছে, ভেনেজ়ুয়েলা ও নেদারল্যান্ডসের বাসিন্দা দুই মহিলা একটি গাড়ি থেকে নেমে সাহায্যে র জন্য চিৎকার করলে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে। তার পরে তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের মধ্যে রাজ়া দার ইশাক দারের নাতি বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ধৃত চার জনকে পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে লাহোরের আদালত।

ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া বয়ানে দুই অভিযোগকারিণীর এক জন জানিয়েছেন, রাজ়া দারের সঙ্গে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবসায়ে যুক্ত ছিলেন ওই দুই মহিলা। তাঁদের পাকিস্তানে আনার জন্য ভিসার ব্যবস্থা করেন রাজ়াই। তার পরে লাহোরে যে বাড়িতে তাঁরা ছিলেন, সেখানে হানা দেয় এক দল সশস্ত্র দুষ্কৃতী। তাঁদের বেঁধে ফেলা হয়। বারবার কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড ও টাকা চাইছিলেন রাজ়া। পাসপোর্টও কেড়ে নেওয়া হয়। দু’জন তাঁকে যৌন নির্যাতন করে। তাঁর অভিযোগ, রাজ়া তাঁর ফোন থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে টাকা চান। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় মহিলার মা ১ লক্ষ ডলার পাঠান রাজ়াকে। তার পরেই তাঁদের পাসপোর্ট ফিরিয়ে দিয়ে বিমানবন্দরে নিয়ে যাচ্ছিলেন রাজ়া। মহিলার অভিযোগ, রাজাকে কেউ ফোনে বলছিলেন, ‘‘বস অন্য নির্দেশ দিয়েছেন।’’ এর পরে হঠাৎ গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়লে তাঁরা লাফিয়ে নেমে সাহায্যের জন্য চিৎকার করে। ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসায় দুই মহিলার সঙ্গে রাজ়ার কোনও বিবাদ হয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সূত্রের খবর, বয়ান দিয়ে সম্ভবত দুই মহিলা পাকিস্তান ছেড়ে চলে গিয়েছেন।

আজ ইশাক দারের ইস্তফা চেয়ে সেনা-ঘনিষ্ঠ সেনেটর ফয়সল ভওডা বলেন, ‘‘নেদারল্যান্ডস ও ভেনেজ়ুয়েলার দূতাবাস হস্তক্ষেপ করার পরে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। পাক ফেডারেল ও পঞ্জাবের প্রাদেশিক সরকার তাঁদের রক্ষা করার চেষ্টা করছিল।’’ তাঁর অভিযোগ, এখনও শুধু তোলাবাজির মামলা রুজুর চেষ্টা চলছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Pakistan Ishaq Dar

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy