প্রয়াত খালেদা জ়িয়ার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন পুত্র তারেক রহমান। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো জানিয়েছে, বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক ভোটের আগেই আনুষ্ঠানিক ভাবে দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে পারেন।
১৯৮৪ সালের ১০ মে বিএনপির চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন খালেদা। আমৃত্যু তিনি ওই পদে ছিলেন। খালেদার নেতৃত্বেই জাতীয় সংসদের তিনটি নির্বাচনে (১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১) জয়ী হয়েছিল বিএনপি। গত ৩০ ডিসেম্বর তাঁর প্রয়াণের ফলে বাংলাদেশের প্রয়াত প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত দলের শীর্ষপদে শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তারেক সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে চলেছেন বলে প্রকাশিত খবরে ইঙ্গিত।
আরও পড়ুন:
১৯৮১ চট্টগ্রাম সেনা বিদ্রোহে নিহত হয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর। স্বামীর মৃত্যুর পরেই খালেদা কিন্তু রাজনীতিতে আসেননি। ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি তিনি বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ নিয়েছিলেন। ১৯৮৩ সালের মার্চে তিনি দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান হন। এর পরে ১৯৮৪ সালের ১২ জানুয়ারি খালেদা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন মনোনীত হন। তার সাড়ে চার মাস পরেই আনুষ্ঠানিক ভাবে দলের শীর্ষপদে আসীন হয়েছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ নির্বাচন হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও। গত ১২-২৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার কাজ হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে মনোনয়ন পরীক্ষার কাজ। চলবে রবিবার (৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত। কোনও মনোনয়ন বাতিল হলে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত। ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি হবে সেই আপিলগুলির যথার্থতা যাচাইয়ের কাজ। চূড়ান্ত প্রার্থিতালিকা প্রকাশ এবং নির্বাচনী প্রতীক নির্ধারণ করা হবে ২১ জানুয়ারি। আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারের পালা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।