সাধারণ নির্বাচনের আগে অনলাইনে নগদ লেনদেনের সীমা বেঁধে দিতে চলেছে বাংলাদেশ প্রশাসন। সে দেশের ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে এমনটাই জানিয়েছে ‘প্রথম আলো’। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে টাকা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা বন্ধ করতেই এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে ওই সূত্রের দাবি।
‘প্রথম আলো’-র প্রতিবেদন অনুসারে, আগামী ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অনলাইনে টাকা লেনদেনের যে মাধ্যমগুলি আছে, সেগুলি দিয়ে এক দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা দেওয়া কিংবা নেওয়া যাবে। প্রতিটি লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা হবে এক হাজার টাকা। বাংলাদেশে বিকাশ, রকেটের মতো যে মোবাইল ব্যাঙ্কিং পদ্ধতি রয়েছে, সেগুলির ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে। এমনিতে বাংলাদেশে এক দিনে অনলাইনে ৫০ হাজার টাকা লেনদেন করা যায়।
সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যাঙ্কিং চ্যানেলে ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং ব্যবহার করে একে অপরকে টাকা হস্তান্তর করা বন্ধ করা হচ্ছে। মূলত ব্যক্তিগ্রাহক থেকে আরেক জন ব্যক্তিগ্রাহককে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তোলার উপরে নজরদারি করা শুরু হয়েছে। এর ফলে আসন্ন নির্বাচনে টাকার অপব্যবহার কম হবে বলে আশা করছেন বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের কর্মকর্তারা। প্রার্থীদের অবশ্য টাকা খরচে কোনও বাধা নেই। বিভিন্ন দলের সমর্থকেরাও নির্বাচনী খরচের অর্থ জোগাতে পারবেন।
বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের কার্যকরী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, সে দেশের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে অর্থ লেনদেন সীমিত করা হবে। তার জন্য কাজ চলছে। চলতি সপ্তাহে এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।