ঢাকা থেকে করাচির উদ্দেশে প্রথম বিমানটি রওনা দেবে বৃহস্পতিবার রাতে। তার আগে বাংলাদেশের বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারওয়েস জানিয়ে দিল, প্রথম উড়ানের সমস্ত টিকিট বিক্রি হয়ে গিয়েছে। ২০১২ সালের পর ঢাকা এবং করাচির মধ্যে সরাসরি কোনও বিমান চলেনি। ১৪ বছর পর বৃহস্পতিবারই প্রথম বিমানটি উড়তে চলেছে।
আপাতত পরীক্ষামূলক ভাবে ঢাকা থেকে করাচি পর্যন্ত বিমান চালাচ্ছে বাংলাদেশের সংস্থা। সপ্তাহে দু’দিন করে এই আন্তর্জাতিক বিমান চলবে। ঢাকা থেকে যে বিমানটি করাচিতে যাবে, সেটিই আবার ফিরবে। বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রথম বিমান ছাড়বে। বৃহস্পতিবার এবং শনিবার করে বিমান যাতায়াতের সূচি নির্ধারিত হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালু করতে বাংলাদেশের সংস্থাটি গত কয়েক মাস ধরে চেষ্টা চালিয়েছে। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগ করা হয়েছে এবং বিমান চালানোর অনুমতি চাওয়া হয়েছে। কিছু দিন আগে পাকিস্তান থেকে সেই অনুমতি মেলে। তার পরেই পরীক্ষামূলক ভাবে সপ্তাহে দু’দিন উড়ানের সূচি নির্ধারিত হয়। সরাসরি বিমান না-থাকায় বাংলাদেশ থেকে কেউ পাকিস্তানে যেতে চাইলে এত দিন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাই অথবা কাতারের দোহা হয়ে যেতে হত। পাকিস্তান থেকেও একই ভাবে ভাঙা পথে বাংলাদেশে আসত বিমান। এতে যেমন সময় বেশি লাগে, তেমন খরচও বেশি হয়। ঢাকা-করাচি সরাসরি বিমান চালু হওয়ায় সেই সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের বাণিজ্যের পথ এতে আরও প্রশস্ত হবে।
পরীক্ষামূলক ভাবে ঢাকা-করাচি বিমান চলাচলের মেয়াদ ৩০ মার্চ পর্যন্ত। এই সময় রুটটিতে বিমানযাত্রার চাহিদা পর্যবেক্ষণ করা হবে। সেই অনুযায়ী পরীক্ষামূলক পরিষেবাকে স্থায়ী করে দেওয়া হতে পারে। পরে অন্য রুটেও বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে যেতে পারে বিমান। ঢাকা থেকে করাচিতে যেতে বিমানটি সময় নেবে চার ঘণ্টা। করাচি থেকে ফিরতে লাগবে ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট।