Advertisement
E-Paper

হাতাহাতি, সভাই বাতিল ট্রাম্পের

বিতর্ক ছিল গোড়া থেকেই। ফুঁসছিলেন বিরোধীরাও। এ বার সরাসরি সংঘর্ষ। যার জেরে পণ্ড হয়ে গেল আস্ত একটি নির্বাচনী প্রচারসভা। অনুষ্ঠান বাতিল করলেন রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই। শিকাগোর ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল রাতের ঘটনা।বিরোধিতার জেরে হিংসা ছড়ানোর আশঙ্কায় এ ভাবে কোনও রাজনৈতিক র‌্যালি বানচাল হয়ে যাওয়ার ঘটনা মার্কিন মুলুকে প্রায় বিরল। ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক’ আখ্যা দিয়েছেন ট্রেড ক্রুজ, মার্ক রুবিও-র মতো প্রতিপক্ষ পদপ্রার্থীরাও। তবে জব্বর এই বিরোধিতার জেরে ট্রাম্প এ বার পিছিয়ে পড়বেন বলে মনে করছেন তাঁরা।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৩ মার্চ ২০১৬ ০২:২৯

বিতর্ক ছিল গোড়া থেকেই। ফুঁসছিলেন বিরোধীরাও। এ বার সরাসরি সংঘর্ষ। যার জেরে পণ্ড হয়ে গেল আস্ত একটি নির্বাচনী প্রচারসভা। অনুষ্ঠান বাতিল করলেন রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই। শিকাগোর ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল রাতের ঘটনা।

বিরোধিতার জেরে হিংসা ছড়ানোর আশঙ্কায় এ ভাবে কোনও রাজনৈতিক র‌্যালি বানচাল হয়ে যাওয়ার ঘটনা মার্কিন মুলুকে প্রায় বিরল। ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক’ আখ্যা দিয়েছেন ট্রেড ক্রুজ, মার্ক রুবিও-র মতো প্রতিপক্ষ পদপ্রার্থীরাও। তবে জব্বর এই বিরোধিতার জেরে ট্রাম্প এ বার পিছিয়ে পড়বেন বলে মনে করছেন তাঁরা।

ট্রাম্প নিজে অবশ্য ‘ব্যক্তিগত ক্ষতি’-র কথা মানতে নারাজ। এ নিয়ে আজ সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘হাজার হাজার মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই প্রচারসভা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিই।’’ এ দিন প্রচারে কোনও রকম বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করার অভিযোগও উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

ঠিক কী ঘটেছিল গত কাল? স্থানীয় সূত্রের খবর, বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাগৃহে র‌্যালি শুরুর খানিক পরেই ট্রাম্পের বিরোধী ও সমর্থকেরা ব্যাপক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রথমে বাদানুবাদ, পরে তাণ্ডব। ট্রাম্পের দাবি, ঘটনার সময় সভাস্থলে তাঁর ২৫ হাজার সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। যেখানে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যাটা ছিল ২ থেকে ৩ হাজার। যাঁরা ট্রাম্প সভাস্থলে আসার আগে থেকেই বিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ক্রমে তা শালীনতার মাত্রা ছাড়ায় বলেও অভিযোগ। পাল্টা জবাব আসতে থাকে ট্রাম্প শিবিরের থেকেও। এমনকী সভাস্থল থেকে কয়েক জনকে ডেমোক্র্যাট পদপ্রার্থী বার্নি স্যান্ডার্সের হয়েও স্লোগান দিতে শোনা যায় বলে

জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

এ ভাবেই একটা সময় দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। ট্রাম্প সমর্থকেরা বিরোধীদের পতাকা ছিঁড়তেই পরিস্থিতি মারাত্মক চেহারা নেয়। এক কৃষ্ণাঙ্গ বিক্ষোভকারীকে প্রায় ধাক্কা দিয়েই মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। তত ক্ষণে অবশ্য বিশৃঙ্খলা ছড়িয়েছে সভাগৃহের বাইরেও। তড়িঘড়ি মাঠে নামেন নিরাপত্তা কর্মীরা।

এক প্রকার জোর করেই খালি করা হয় সভাগৃহ। এরই মধ্যে ট্রাম্প শিকাগো পুলিশের সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে বসেন। তার পরেই মঞ্চে উঠে সভা বাতিলের কথা ঘোষণা করেন।

ট্রাম্পের সভা ঘিরে এই ধরনের বিশৃঙ্খলা বা বিক্ষোভ অবশ্য নতুন কিছু নয়। এর আগে মিসৌরি প্রদেশে তাঁর সভায় বিক্ষোভ ছড়ানোর অভিযোগে ৩২ জনকে আটক করেছিল পুলিশ। এ দিন কেউ গ্রেফতার হয়নি। কিন্তু সংঘর্ষের জেরে ট্রাম্প নিজেই যে হেতু সভা বাতিল করেছেন, তাই বিষয়টিকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy