২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে প্রত্যাবর্তন করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্বিতীয় বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হন এই রিপাবলিকান নেতা। গত এক বছরে তাঁর আয় উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। একটি নথির ভিত্তিতে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, দ্বিতীয় বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এক বছরে ট্রাম্পের আয় ২২০ কোটি মার্কিন ডলার! অধিকাংশই এসেছে ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে।
ওই নথি অনুযায়ী, এক বছরে ট্রাম্পের পারিবারিক ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা থেকে লাভ হয়েছে ১৪০ কোটি ডলারের বেশি। শুধু ক্রিপ্টোকারেন্সি নয়, ট্রাম্প আরও নানান ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। রিয়েল এস্টেট ব্যবসা থেকেও খারাপ লাভ হয় না মার্কিন প্রেসিডেন্টের। সব মিলিয়ে ২০২৪ সালে, অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে ট্রাম্প তাঁর পারিবারিক ব্যবসা থেকে যা লাভ করেছিলেন, তার থেকে কয়েক গুণ বেড়েছে ২০২৫ সালে। নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ট্রাম্পের আয় ছিল ৬২ কোটি ডলারের কিছুটা বেশি ছিল।
ট্রাম্পের ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসায় সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একটি সংস্থা যোগ দেওয়ার পর পরই লাভের পরিমাণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে। জানা যায়, ট্রাম্পের সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইনান্সিয়াল’-র ক্রিপ্টো ব্যবসায় গোপনে বিনিয়োগ করে আমিরশাহির ওই সংস্থা। যদিও এই লেনদেনটি নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। নথি অনুযায়ী, ট্রাম্পের এবং তাঁর সংস্থার নিজস্ব কয়েন বিক্রি করেই শত শত কোটি ডলার লাভ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
আরও পড়ুন:
অতীতে বার বার ট্রাম্পের ক্রিপ্টো ব্যবসা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁর পারিবারিক সংস্থার আয় নিয়ে রহস্য ছিল। শুধু আমিরশাহি নয়, শোনা গিয়েছিল পাকিস্তানের ‘ভার্চুয়াল অ্যাসেট রেগুলেটরি অথরিটি’-র অনুমোদনক্রমে সে দেশের সংস্থা এসসি ফাইনান্সিয়াল টেকনোলজিস বিনিয়োগ করেছে ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইনান্সিয়াল’-এ। ২০২৪ সালে ট্রাম্পের এই সংস্থার পথচলা শুরু। বছর ঘুরতে না ঘুরতে লাভ বাড়তে থাকে এই সংস্থার। তবে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ফুলেফেঁপে উঠেছে তাঁর ক্রিপ্টো ব্যবসা।