Advertisement
E-Paper

পাঁচ ঘণ্টা ধরে আকাশসীমা বন্ধ করে রাখল ইরান! প্রভাব উড়ান পরিষেবায়, কাতারে আমেরিকার তৎপরতার জেরেই কি সিদ্ধান্ত?

কী কারণে আচমকা এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার কোনও ব্যাখ্যা দেননি তেহরানের কর্তৃপক্ষ। তবে পশ্চিম এশিয়ার এই দেশটিতে গত দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে এক উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্পও।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৪
বুধবার বেশি রাতের দিকে আচমকা বন্ধ হয়ে যায় ইরানের আকাশসীমা।

বুধবার বেশি রাতের দিকে আচমকা বন্ধ হয়ে যায় ইরানের আকাশসীমা। ছবি: এক্স।

নিজেদের আকাশসীমা পাঁচ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখল ইরান। বুধবার বেশি রাতের দিকে প্রথমে প্রায় দু’ঘণ্টার জন্য আকাশসীমা বন্ধ করে তারা। পরে তা আরও বৃদ্ধি করা হয়। সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আকাশসীমা বন্ধ রাখে তেহরান। যদিও ইরানে যাতায়াতের জন্য যে আন্তর্জাতিক বিমানগুলির নির্দিষ্ট অনুমতি রয়েছে, সেগুলির ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশ কোনও বাধা ছিল না।

কী কারণে আচমকা এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার কোনও ব্যাখ্যা দেননি তেহরানের কর্তৃপক্ষ। তবে পশ্চিম এশিয়ার এই দেশটিতে গত দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমেরিকা ফের সে দেশে সামরিক অভিযান চালাতে পারে, এমন আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হঠাৎ করেই নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয় ইরান। দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই উত্তেজনার পরিস্থিতিতে তেহরানের সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ইরানের আকাশসীমা আচমকা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রভাব পড়ে ভারতীয় উড়ানসংস্থাগুলির আন্তর্জাতিক পরিষেবাতেও। এয়ার ইন্ডিয়া ইতিমধ্যে একটি বিবৃতি জারি করেছে। তারা জানিয়েছে, ইরানের আকাশসীমা বন্ধ হওয়ার ফলে ইরানের উপর দিয়ে যে বিমানগুলির যাওয়ার কথা ছিল, সেগুলিকে বিকল্প পথে চলাচল করাতে হচ্ছে। এর ফলে বিমানগুলির গন্তব্যে পৌঁছোতে কিছুটা দেরি হতে পারে বলে যাত্রীদের আগাম জানিয়ে দিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। যে বিমানগুলিকে এই মুহূর্তে বিকল্প পথে ওড়ানো সম্ভব হচ্ছে না, সেগুলিকে আপাতত বাতিল করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে উড়ানসংস্থা। ইরানের উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে ইন্ডিগোও। তারাও জানিয়েছে, ইরানের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা প্রভাবিত হতে পারে।

বস্তুত, পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আমেরিকার সেনাঘাঁটি রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হল কাতারের আল উদেইদ ঘাঁটি। এই বিমানঘাঁটিকেও ব্যবহার করে মার্কিন বাহিনী। বুধবারই সন্ধ্যায় খবর ছড়ায়, বেশ কিছু কর্মীকে কাতারের ওই ঘাঁটি ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। কারণ, গত বছরের জুনে ইরানে মার্কিন হানার আগেও একই রকম নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ওই সময়েও কাতারের বিমানঘাঁটি থেকে বেশ কিছু অসামরিক কর্মী এবং পরিবারকে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল আমেরিকা। ঘটনাচক্রে, ঠিক তার পরেই ইরানের তিন পরমাণুকেন্দ্রে বোমারু বিমান দিয়ে হামলা চালিয়েছিল মার্কিন বাহিনী।

Iran US Iran Protest Donald Trump Tehran
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy