আশ্বাস মিলেছিল আগেই। এ বার সরকারি ভাবে বাংলাদেশের ময়মনসিংহের নিহত যুবক দীপু দাসের পরিবারের হাতে ২৫ লক্ষ (বাংলাদেশি মুদ্রায়) টাকা তুলে দিল সে দেশের অন্তর্বর্তী সরকার। খাতায়কলমে মঙ্গলবার মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তিকালীন সরকারের শেষ দিন। তার আগের দিনই দীপুর পরিবারের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ইউনূস প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েও দীপুর হত্যার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে পরিবার।
গত বছর ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার স্কয়্যার মাস্টারবাড়ি এলাকায় দীপুকে পিটিয়ে হত্যা করে একদল মানুষ। তার পর দেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় কয়েক জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে দীপুর পরিবারের দাবি, সব সন্দেহভাজনকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক সাংবাদিক বৈঠকে দীপুর মা শেফালি রানী জানিয়েছেন, সরকারের থেকে তাঁরা ২৫ লক্ষ টাকা পেয়েছেন। একই সঙ্গে দীপুর স্ত্রীর জন্য চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার আর্জিও জানানো হয়েছে।
শেফালির কথায়, ‘‘আমার ছেলেকে যাঁরা খুন করেছেন, তাঁরা সকলে গ্রেফতার হননি। বিচারের অগ্রগতি নিয়েও সন্তুষ্ট নই।’’ সেই একই সুরে দীপুর বাবা রবি লালচন্দ্র দাসের আর্জি, ‘‘আমরা আমাদের ছেলের হত্যার সঠিক বিচার চাই।’’ দীপুর স্ত্রীও একই কথা বলেন।
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছিল ইউনূস প্রশাসন। জানানো হয়েছিল, পরিবারের চাহিদা অনুযায়ী বাড়ি নির্মাণের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হবে। পাশাপাশি, নগদ আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে দীপুর বাবা ও স্ত্রীকে ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে এবং তাঁর সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য জন্য ৫ লক্ষ টাকার একটি ফিক্সড ডিপোজ়িটও করা হবে।