ঢাকা থেকে করাচি পর্যন্ত সরসারি বিমান চলাচলের অনুমতি দিয়ে দিল ইসলামাবাদ। বাংলাদেশের জাতীয় বিমানসংস্থা বিমান এয়ারওয়েজ়কে আপাতত পরীক্ষামূলক ভাবে এই রুটে বিমান চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অনুমতির মেয়াদ আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে চাহিদা, জনপ্রিয়তা এবং কার্যকারিতা বিবেচনা করা হবে। ফল ইতিবাচক হলে স্থায়ী ভাবে ঢাকা-করাচি বিমান চলবে।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে সে দেশের অসামরিক বিমান পরিবহণ কর্তৃপক্ষের সূত্র উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের বিমান সংস্থাকে অনুমতি দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। বলা হয়েছে, কবে ঢাকা থেকে করাচির উদ্দেশে প্রথম যাত্রিবাহী বিমানটি উড়বে, দিনে কতগুলি করে বিমান চলবে, কখন চলবে, সেই সূচি এখনও স্থির হয়নি। আগামী সপ্তাহের মধ্যে সূচি চূড়়ান্ত হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তার পরেই বাংলাদেশের রাজধানী থেকে করাচির উদ্দেশে পাড়ি দেবে বিমান।
আরও পড়ুন:
ঢাকা এবং করাচির মধ্যে আগে বিমান চলাচল নিয়মিত ছিল। পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের সরকার এই বিমান রুট পুনরায় চালু করার বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে, দাবি রিপোর্টে। কিছু দিন আগে পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মহম্মদ হুসেন খান জানিয়েছিলেন, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচলের চুক্তি শীঘ্রই চূড়ান্ত হবে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়বে। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যেও যোগাযোগ আগের চেয়ে বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছিলেন বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত। অবশেষে আনুষ্ঠানিক ভাবে পাক সরকারের অনুমতি মিলল।
২০২৪ সালের ৯ অগস্ট গণবিক্ষোভের মাঝে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। আপাতত দেশটির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। ইউনূসের সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আকাশপথে দুই দেশের সরাসরি যোগাযোগ সেই ঘনিষ্ঠতাকেই আরও নিবিড় করবে বলে মত অনেকের।