Advertisement
E-Paper

বেলডাঙার ঘটনায় এনআইএ-কে হস্তান্তর করতে হবে কেস ডায়েরি! পুলিশকে নির্দেশ দিল আদালত, বেঁধে দিল সময়ও

কেন সেই কেস ডায়েরি হস্তান্তর করা হয়নি, সেই নিয়ে আদালতে প্রশ্নের মুখে পড়েন বেলডাঙাকাণ্ডের তদন্তকারী পুলিশ অফিসার।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৪৫
বেলডাঙায় অশান্তি।

বেলডাঙায় অশান্তি। — ফাইল চিত্র।

বেলডাঙার ঘটনায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র হাতে তুলে দিতে হবে কেস ডায়েরি। মঙ্গলবার রাজ্য পুলিশকে সেই নির্দেশই দিল কলকাতার বিচার ভবন। আদালত এ-ও জানাল, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সেই কেস ডায়েরি হস্তান্তর করতে হবে।

মঙ্গলবার বিচারভবনে ছিল বেলডাঙায় হিংসার ঘটনার শুনানি। এই ঘটনার তদন্তভার হাতে নিয়েছে এনআইএ। তাদের দাবি, এখনও কেস ডায়েরি তারা হাতে পায়নি। কেন সেই কেস ডায়েরি হস্তান্তর করা হয়নি, সেই নিয়ে আদালতে প্রশ্নের মুখে পড়েন বেলডাঙাকাণ্ডের তদন্তকারী অফিসার। সরকারি তরফের আইনজীবী জানান, উচ্চ আদালতে মামলা চলছে। তাতে স্থগিতাদেশ আছে কি না, প্রশ্ন করে আদালত। এনআইএ-র আইনজীবী শ্যামল ঘোষ জানান, কোর্টের নির্দেশে তদন্ত করা হচ্ছে। কেস ডায়েরি হস্তান্তর হয়নি। তাই তদন্ত শুরু করা যায়নি। এর পরেই বিচারক ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কেস ডায়েরি হস্তান্তরের নির্দেশ দেন।

এর আগের শুনানিতেও এনআইএর তরফে আদালতে জানানো হয়েছিল, তারা কেস ডায়েরি হাতে পায়নি। ওই দিন অভিযুক্তদের আদালতে হাজিরই করানো যায়নি। এই নিয়ে রাজ্য পুলিশের দিকেই আঙুল তোলে তারা।

ঝাড়খণ্ডে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুর খবরে অশান্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা। গত ১৬ জানুয়ারি আলাউদ্দিনের দেহ সেখানে পৌঁছোতেই সাধারণ মানুষ রাস্তায় নামেন। ভিন্‌রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিকদের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, বাঙালি হওয়ায় বাংলাদেশি সন্দেহে হত্যা করা হয়েছে আলাউদ্দিনকে। যদিও ঝাড়খণ্ডের পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করে। প্রাথমিক ভাবে ওই যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলেই দাবি করা হয়। তাঁর মৃত্যুর প্রতিবাদে ১৬ তারিখ জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। এমনকি, বিক্ষোভে ব্যাহত হয় শিয়ালদহ-লালগোলা ট্রেন চলাচলও। বেলডাঙায় সে দিন আক্রান্ত হয়েছিলেন এক মহিলা সাংবাদিক। প্রথম দিন পুলিশ বিক্ষোভ সরালেও পরের দিন সকাল থেকে বেলডাঙা ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ পরে আদালতে দাবি করেছে, বেলডাঙার প্রথম দিনের বিক্ষোভ কিছুটা হলেও ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। কিন্তু দ্বিতীয় দিন পরিকল্পিত ভাবে সেখানে অশান্তি করা হয়।

হাই কোর্ট জানিয়েছিল, কেন্দ্রীয় সরকার যদি চায়, এনআইএ-কে দিয়ে বেলডাঙার ঘটনার তদন্ত করাতে পারে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনে কেন্দ্রের কাছ থেকে আরও বাহিনী চাইতে পারবে রাজ্য। তার পরেই তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

NIA
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy