Advertisement
E-Paper

৮৫-ঊর্ধ্ব কাউকে শুনানিকেন্দ্রে দেখা গেলে শাস্তি পেতে হবে সংশ্লিষ্ট বিএলও-কেই! নিয়মে কঠোর হচ্ছে নির্বাচন কমিশন

৮৫ বছরের বেশি বয়সি ভোটারদের শুনানির জন্য শুনানিকেন্দ্রে যেতে হবে না, আগেই তা জানিয়েছিল কমিশন। ছাড় দেওয়া হয়েছে অসুস্থ এবং বিশেষ ভাবে সক্ষমদেরও। কিন্তু শুনানির লাইনে অনেক অসুস্থ, প্রতিবন্ধী এবং বৃদ্ধ ভোটারকে দেখা গিয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:৫৭
বৃদ্ধাকে কোলে করে এসআইআর-এর শুনানিকেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে।

বৃদ্ধাকে কোলে করে এসআইআর-এর শুনানিকেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে। ছবি: পিটিআই।

৮৫ বছরের বেশি বয়সি কোনও ভোটারকে শুনানিকেন্দ্রে দেখা গেলেই পদক্ষেপ করবে নির্বাচন কমিশন। শাস্তি পেতে হবে সংশ্লিষ্ট বুথ স্তরের আধিকারিককেই (বিএলও)। সূত্রের খবর, বয়স্ক ভোটারদের শুনানিকেন্দ্রে যেতে বাধ্য করা হলে বিএলও এবং তাঁর সুপারভাইজ়ারকে দায়ী করা হবে। তাঁদের কাছে জবাবদিহি চাইতে পারে কমিশন।

৮৫ বছরের বেশি বয়সি ভোটারদের শুনানির জন্য শুনানিকেন্দ্রে যেতে হবে না, আগেই তা জানিয়েছিল কমিশন। ছাড় দেওয়া হয়েছে অসুস্থ এবং বিশেষ ভাবে সক্ষমদেরও। কিন্তু প্রথম থেকে এই সংক্রান্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি ছিল না। ফলে শুনানির লাইনে অনেক অসুস্থ, প্রতিবন্ধী এবং বৃদ্ধ ভোটারকে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে। যা নিয়ে বিস্তর বিতর্কও হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল প্রথম থেকেই এর বিরুদ্ধে সরব। অভিযোগ, মুমূর্ষু রোগীকেও শুনানিকেন্দ্রে যেতে বাধ্য করছে কমিশন। এর পর কিছু দিন আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, ৮৫ বছরের বেশি ভোটারদের শুনানির জন্য ডাকা যাবে না। তাঁদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি করতে হবে। বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে বিএলও, ইআরও এবং এইআরও-দের।

কমিশন জানিয়েছে, ৮৫-ঊর্ধ্ব বা অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী কাউকে শুনানিকেন্দ্রে যেতে বাধ্য করলে সংশ্লিষ্ট বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজ়ারকে দায়ী করা হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে। ইতিমধ্যে এই ধরনের কোনও ভোটারকে যদি শুনানির নোটিস পাঠানো হয়ে গিয়ে থাকে, তবে তাঁদের সঙ্গে আলাদা করে যোগাযোগ করতে হবে আধিকারিকদের। শুনানিকেন্দ্রে তাঁরা যেন না-আসেন, তার অনুরোধ করতে হবে। কারণ, ওই সমস্ত ভোটারের নথি যাচাই করা হবে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে।

যদিও সিইও দফতরের এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি ঘিরে কিছু বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিল। অসুস্থ বলতে ঠিক কী ধরনের অসুস্থতাকে শুনানিকেন্দ্রে উপস্থিত না-হওয়ার জন্য বিবেচনা করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আবার অনেকের মতে, বাড়িতে গিয়ে শুনানির জন্য বয়সসীমা আরও কমানো দরকার। কারণ, ৮৫ বছরে পৌঁছোনোর আগেই অনেক বৃদ্ধ বা বৃদ্ধা ভোটার শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। দূরের শুনানিকেন্দ্রে যাওয়া তাঁদের পক্ষেও সম্ভব নয়। এই বিষয়গুলি বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অনেকে।

West Bengal SIR SIR hearing Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy