বাঁধ ভাঙছিল মাস খানেকের বেশি সময় ধরে। অবশেষে পাকিস্তানের অন্তত ২৪টি শহর ভাসিয়ে দিল জনস্রোত।
পূর্ব ঘোষণা মতোই শিক্ষায় ব্যয় বরাদ্দ কমানোর প্রতিবাদে এবং ছাত্র সংসদের অধিকার রক্ষার দাবিতে ছাত্রছাত্রী এবং নাগরিক আন্দোলনের কর্মীরা ওই দিন বিক্ষোভ সমাবেশ করলেন ইসলামাবাদ, পেশোয়ার, করাচি-সহ ছোট-বড় বহু শহরে। প্রোগ্রেসিভ স্টুডেন্ট কালেক্টিভ আয়োজিত ওই সব বিক্ষোভে অংশ নেয় সে দেশের বামপন্থী-প্রগতিশীল অংশ। সব ক’টি বিক্ষোভ থেকেই ইমরান-সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়, অবিলম্বে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে ওই ভোট করাতে হবে, শিক্ষায় বেসরকারিকরণ এবং স্কুল-কলেজে ফি বৃদ্ধির সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তার নামে সেনা-পুলিশের নাক গলানো বন্ধ করতে হবে। বিক্ষোভকারীদের আরও দাবি, জিডিপি-র অন্তত পাঁচ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করতে হবে সরকারকে। নারী অধিকার নিয়েও সরব হয়েছে ছাত্রছাত্রী এবং নাগরিক সমাজের ওই আন্দোলন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হেনস্থার ঘটনার তদন্তের জন্য মহিলা সদস্য-যুক্ত কমিটি তৈরির দাবি ওঠে ওই বিক্ষোভগুলি থেকে।