Advertisement
E-Paper

জেলে এপস্টিনের মৃত্যু কী ভাবে হয়েছিল? অন্য সম্ভাবনা দেখছেন চিকিৎসক! ময়নাতদন্ত নিয়ে প্রশ্ন

২০১৯ সালে নিউ ইয়র্কের জেলে মৃত্যু হয় মার্কিন যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের। মেডিক্যাল এগ্‌জ়ামিনার্‌স অফিসে এপস্টিনের দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছিল। তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসক।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৩২
মার্কিন যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিন।

মার্কিন যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিন। —ফাইল চিত্র।

মার্কিন যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিন কি আদৌ নিউ ইয়র্কের জেলে আত্মঘাতী হয়েছিলেন? মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন এক চিকিৎসক। দাবি, গলায় দড়ি দিয়ে ঝোলার কারণে নয়, এপস্টিনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে শ্বাসরোধকারী প্রবল চাপের কারণে। এ বিষয়ে আরও বিশদে তদন্ত প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন ওই চিকিৎসক।

নিউ ইয়র্কের মেডিক্যাল এগ্‌জ়ামিনার্‌স অফিসে এপস্টিনের দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছিল। চিকিৎসক মাইকেল ব্যাডেন এপস্টিনের পরিবারের তরফে পর্যবেক্ষক হিসাবে ময়নাতদন্তের সময় উপস্থিত ছিলেন। দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, গলায় দড়ি দিয়ে ঝোলার কারণে এপস্টিনের মৃত্যু না-ও হয়ে থাকতে পারে। তাঁর কথায়, ‘‘আমার মতে ওঁর মৃত্যু সম্ভবত শ্বাসরোধের চাপের কারণে হয়েছিল, ঝুলে যাওয়ায় নয়।’’ ময়নাতদন্তের সময়ে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকলেও এখন তথ্য রয়েছে বলে দাবি ব্যাডেনের। তিনি বলেছেন, ‘‘এখন যা তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে, মৃত্যুর কারণ এবং পদ্ধতি সম্পর্কে আরও তদন্ত প্রয়োজন।’’

ব্যাডেনের দাবি, ময়নাতদন্তের সময়ে সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল পরীক্ষকও মনে করেছিলেন, মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে আরও তথ্য প্রয়োজন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এপস্টিনের দেহের ময়নাতদন্তের একটি সংশোধিত সংস্করণ প্রকাশ করে আমেরিকার বিচারবিভাগ। তাতে মৃত্যুর পদ্ধতির জায়গায় ‘অমীমাংসিত’ (পেন্ডিং) লেখা ছিল। আত্মহত্যা বা খুনের সম্ভাবনার পাশে কিছুই লেখা ছিল না। মার্কিন চিকিৎসক বারবারা স্যাম্পসন এপস্টিনের মৃত্যুকে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা বলেই উল্লেখ করেছেন। অন্য কোনও সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দিয়েছেন। ব্যাডেনের দাবি, বারবারা ময়নাতদন্তের সময় উপস্থিত ছিলেন না। তাই তাঁর বক্তব্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এপস্টিনের পক্ষে আইনি লড়াই লড়ছেন যাঁরা, তাঁরাও ব্যাডেনের দাবিকে মান্যতা দিয়েছেন। জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তাঁরা সন্তুষ্ট নন।

জেলে এপস্টিনের মৃত্যু নিয়ে প্রথম যাঁরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, ব্যাডেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম। ২০১৯ সালের অগস্টেই ফক্স নিউজ়কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছিলেন, প্রাপ্ত প্রমাণ আত্মহত্যার চেয়ে খুনের সম্ভাবনাকেই বেশি জোরালো করছে। এই সংক্রান্ত সরকারি নথিতে এপস্টিনের ঘাড়ের তিনটি হাড় ভাঙার উল্লেখ রয়েছে। ব্যাডেনের মতে, গলায় দড়ি দিয়ে কেউ ঝুলে পড়লে তিনটি হাড় ভাঙার কথা নয়। একটি হাড় ভাঙলেও খুনের তত্ত্ব যাচাই করা উচিত। ফাঁসের দড়ির সঙ্গে এপস্টিনের আঘাতস্থল মিলছে না বলেও দাবি করেছেন ওই চিকিৎসক।

Jeffrey Epstein new york
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy