ব্রিটেনে ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে ইজ়রায়েল-বিদ্বেষ। লন্ডনে পর পর আগুনে পুড়ল চারটি অ্যাম্বুল্যান্স। চারটি অ্যাম্বুল্যান্সই পরিচালনা করত ইহুদিদের এক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। অ্যাম্বুল্যান্সগুলিতে দুর্ঘটনাবশত আগুন ধরেনি, সেগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। এটিকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী অপরাধ’ বলে বিবেচনা করছে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর লন্ডনের গোল্ডার্স গ্রিন এলাকায়। সেখানে হাইফিল্ড রোডে চারটি অ্যাম্বুল্যান্স দাঁড়িয়ে ছিল। চারটিই ইহুদিদের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘হাট্জ়োলা’র মালিকানাধীন। লন্ডনের দমকলবাহিনীর ছ’টি ইঞ্জিন এবং ৪০ জন দমকলকর্মী ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে অ্যাম্বুল্যান্সগুলি পুড়ে গিয়েছিল। কে বা কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, তিন জন হামলাকারী ছিলেন। তাঁদের খোঁজ চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের ওই এলাকার সুপারিনটেনডেন্ট সারাহ জ্যাকসন জানান, এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
লন্ডনের গোল্ডার্স গ্রিন এলাকায় প্রচুর ইহুদি বাস করেন। ‘বিবিসি’ জানাচ্ছে, ওই এলাকায় ১৯৭৯ সাল থেকে পরিষেবা দিয়ে আসছে হাট্জোলা। বিনামূল্যে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা এবং হাসপাতালে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেয় এই প্রতিষ্ঠান। অ্যাম্বুল্যান্সে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দানা বেঁধেছে। অগ্নিসংযোগের পরে অ্যাম্বুল্যান্সে থাকা বেশ কিছু সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ হয়েছে। ওই বিস্ফোরণের অভিঘাতে সংলগ্ন একটি ভবনও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রয়টার্স জানাচ্ছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইজ়রায়েলে হামাস গোষ্ঠীর হামলা এবং গাজ়ায় সংঘর্ষের পরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ‘ইহুদিবিদ্বেষ’ বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রিটেনেও ইহুদিবিদ্বেষী আচরণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। গত বছর ম্যানচেস্টারে এক হামলায় প্রার্থনার সময়ে দু’জন ইহুদি নিহত হয়েছিলেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
- আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
- শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
-
‘পাকিস্তানে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই’! যুদ্ধবিরতির শর্ত প্রকাশে দেরি নিয়ে প্রশ্নে মজাচ্ছলেই খোঁচা ভান্সের
-
হিজ়বুল্লার সঙ্গে ‘যুদ্ধবিরতি’ জানিয়েও ফের ইজ়রায়েলি হানা লেবাননে! শান্তিচুক্তিতে নারাজ নেতানিয়াহুর কৌশল কী?
-
সুইৎজ়ারল্যান্ডের পথে ট্রাম্পের দূত, ইরান থেকে যেতে পারেন বিদেশমন্ত্রী আরাঘচি, জল্পনায় শান্তি-বৈঠকের প্রথম দফা
-
সুইৎজ়ারল্যান্ডে পিছিয়ে গেল আমেরিকা-ইরানের বৈঠক! সফর হঠাৎ বাতিল করে দিলেন ভান্স, শান্তির পথে ফের বাধা?
-
দ্বন্দ্ব থামিয়ে সমঝোতার পথে আমেরিকা-ইরান! মধ্যস্থতাকারী হিসাবে রইল পাকিস্তানের নাম, কোন কোন শর্তে সন্ধি হল?