পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে এ বার পাকিস্তানকে ঋণ শোধ করে দিতে বলেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। পাক সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ়ে এমনটাই দাবি করা হচ্ছে। যদিও পাক বিদেশমন্ত্রকের দাবি, পুরোটাই দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অঙ্গ। চুক্তি অনুযায়ীই অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে।
জানা যাচ্ছে, প্রায় ২০০ কোটি ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা) ফেরত দিচ্ছে ইসলামাবাদ। রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইসলামাবাদকে ওই ঋণ দ্রুত মিটিয়ে দিতে বলা হয়েছে। সেই টাকা মিটিয়ে দিতেও রাজি হয়েছে পাকিস্তান। এপ্রিলের শেষের দিকে এই ঋণ ইসলামাবাদ মিটিয়ে দেবে বলে জানা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন:
বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় পাকিস্তানকে সাহায্য করতে এই ঋণ দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। এই ঋণের মেয়াদ গত কয়েক দফায় পুনর্নবীকরণও করা হয়েছে। তবে এখন আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের জেরে গোটা পশ্চিম এশিয়ায় এক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। হামলার মুখে পড়ছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিও। এ অবস্থায় ইসলামাবাদের কাছ থেকে ঋণের টাকা ফেরত চেয়েছে আবু ধাবি। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ়-এর প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, আবু ধাবির কাছ থেকে নেওয়া ওই ঋণ স্টেট ব্যাঙ্ক অফ পাকিস্তানে গচ্ছিত রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দাবি মেনে চলতি মাসের শেষের দিকেই ওই ঋণ আবু ধাবিকে মিটিয়ে দেওয়া হবে। আধিকারিক সূত্রে জিও নিউজ় জানাচ্ছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির থেকে গত কয়েক বছর ধরেই এই ঋণ পাচ্ছিল পাকিস্তান। প্রায় ৬ শতাংশ সুদের হারে ঋণ শোধ করে আসছিল তারা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিও গত কয়েক বছর ধরে ঋণ পুনর্নবীকরণ করে আসছিল। গত বছরের ডিসেম্বরে এই ঋণের মেয়াদ প্রথমে এক মাসের জন্য এবং পরে আরও ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছিল।
তবে পাক সংবাদমাধ্যমের এই দাবি মানতে নারাজ পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রক। তাদের দাবি, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক চুক্তি অনুযায়ীই পাকিস্তানের অর্থনীতিকে সাহায্য করছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। উভয়পক্ষের সম্মতিক্রমেই এই বোঝাপড়া হয়েছে। এবং সেই বোঝাপড়া অনুযায়ীই এখন আবু ধাবিকে অর্থ ফেরত দিচ্ছে তারা। এটি একটি রুটিন লেনদেন বলেই ব্যাখ্যা করছে পাক বিদেশমন্ত্রক।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
- আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
- শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
-
০৯:৫৭
পাকিস্তানে আমেরিকার সঙ্গে শান্তিবৈঠকে কেন যোগ দিচ্ছে না ইরান? পাঁচ কারণ জানিয়ে দিলেন মোজতবা খামেনেইরা -
০৯:০১
ইরানি জাহাজের ইঞ্জিন রুমে গর্ত! মার্কিন সেনার দখলের বর্ণনা দিলেন ট্রাম্প, ফোন করে অন্য দেশকে নালিশ তেহরানের -
০৭:৫০
চিন থেকে আসা ইরানি জাহাজ দখল করে নিল মার্কিন ফৌজ! হরমুজ়ে উত্তেজনা, বৈঠক খারিজ করে বদলার বার্তা তেহরানের -
১২:৩০
ওমান প্রান্ত দিয়ে জাহাজ গেলেই তো মিটে যায় সমস্যা! তবু কোন সূত্রে হরমুজ়ে ‘অ্যাডভান্টেজ’ পায় ইরান? কোথায় আতঙ্ক? -
চালাকির চেষ্টা করলেই ঝাঁপাব পুরো শক্তি দিয়ে, আমরা তৈরি! দ্বিতীয় বৈঠকের দিনক্ষণ নিয়ে সংশয়ের মধ্যেই তোপ ইরানের