Advertisement
E-Paper

হরমুজ় প্রণালী খুলতে নৌসেনা নামাবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি? পশ্চিমের দেশগুলির সঙ্গে এ বার অভিযানে নামার ‘আগ্রহপ্রকাশ’

পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই অবরুদ্ধ হরমুজ় প্রণালী। এ বার এই প্রণালী ইরানের ‘দখলমুক্ত’ করতে পশ্চিমের দেশগুলির বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১৩:০১
হরমুজ় প্রণালী। ছবি: রয়টার্স।

হরমুজ় প্রণালী। ছবি: রয়টার্স।

হরমুজ় প্রণালী নিয়ে অচলাবস্থা কিছুতেই কাটছে না। ইরান হুঁশিয়ারির পর হুঁশিয়ারি দিয়ে যাচ্ছে, হরমুজ় তাদের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে। সে ক্ষেত্রে ইরানের কয়েকটি ‘বন্ধু দেশ’ ছাড়া বাকি দেশগুলির তেল এবং জ্বালানিবাহী জাহাজ এই প্রণালীতেই আটকে রয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই অবরুদ্ধ হরমুজ় প্রণালী। এ বার এই প্রণালী ইরানের ‘দখলমুক্ত’ করতে পশ্চিমের দেশগুলির বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। ইকোনমিক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকা এবং সহযোগী দেশগুলির কাছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি আগ্রহ প্রকাশ করেছে যে, হরমুজ়ের অচলাবস্থা কাটাতে এ বার তারাও অভিযানে নামতে চায়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রশাসনের এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নিজেদের নৌসেনা নামানোর কথাও জানিয়েছে আবু ধাবি। ওই সূত্রের দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার কোনও পরিকল্পনা নেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহির। তবে হরমুজ় নিয়ে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা কাটাতে পশ্চিমের দেশগুলিকে সহযোগিতা করতে চাইছে তারা।

হরমুজ় অবরুদ্ধ করে রাখায় ইরানের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশের মধ্যেও অসন্তোষ বাড়ছে বলে ওই সূত্রের দাবি। হরমুজ়ের পথ মসৃণ করতে গেলে যে সকলের একত্রিত হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে। বুধবারই হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, মার্কিন প্রশাসন অনবরত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, কী ভাবে হরমুজ় প্রণালীকে ‘দখলমুক্ত’ করা যায়। প্রসঙ্গত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কাছে অত্যাধুনিক নৌবাহিনী রয়েছে। সূত্রের দাবি, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি চাইছে ‘হরমুজ় সিকিউরিটি ফোর্স’ গড়ে তোলা হোক। আর সেই বাহিনী গড়ে তুলতে পশ্চিমের দেশগুলির কাছে আর্জি জানিয়েছে তারা। ইতিমধ্যেই আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের সঙ্গে একদফা আলোচনা সেরে ফেলেছে তারা। উপসাগরীয় পাঁচটি দেশের মধ্যে এই বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। এ ছাড়াও বাহরিনও ইরানের হামলার নিন্দা করেছে। যে ভাবে বাণিজ্যিক জাহাজগুলিতে ইরান হামলা চালাচ্ছে, সেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে পশ্চিমি দেশগুলির পাশে দাঁড়িয়েছে তারা।

তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের বাকি দেশগুলিও ইরানের এই হামলায় সন্ত্রস্ত। তারা চাইছে এই যুদ্ধ পরিস্থিতি যেন দীর্ঘায়িত না হয়। শুধু তা-ই নয়, তারা এটাও চাইছে যে, তাদের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানো বন্ধ করুক আমেরিকা। ওই সূত্রের দাবি, ওই দেশগুলির এই ধরনের চিন্তাভাবনা করলেও, সেই বার্তা কী ভাবে উপস্থাপিত করা হবে আমেরিকার কাছে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। সকলে কি একযোগে এই বার্তা পৌঁছে দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে, তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে।

Strait of Hormuz Iran
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy