ভারতে স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্র দ্রুত বদলাচ্ছে। তাই দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর চাহিদাও বাড়ছে। এই চাহিদা পূরণ করতে ‘ন্যাশনাল কমিশন ফর অ্যালাইড অ্যান্ড হেলথকেয়ার প্রফেশনস’ (এনসিএএইচপি) সারা দেশে অ্যালাইড হেলথ শিক্ষার মান উন্নত করার জন্য কাজ করছে। কলকাতার ৯০ বছরেরও বেশি ঐতিহ্যবাহী ‘ভবানীপুর গ্লোবাল ক্যাম্পাস’ (বিজিসি)-এর ‘স্কুল অফ অ্যালাইড হেলথ’-ও এমন কোর্স চালু করেছে, যা শিক্ষার্থীদের দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
‘এনসিএএইচপি’-এর লক্ষ্য হল সারা দেশে অ্যালাইড হেলথ শিক্ষার মান আরও উন্নত করা। তাই তারা ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ এবং পেশাগত স্বীকৃতির ওপর জোর দেয়। সেই লক্ষ্যেই এই প্রতিষ্ঠানে বইয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি হাতে-কলমে শেখা, হাসপাতাল ও ক্লিনিকে কাজের অভিজ্ঞতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে শেখার সুযোগ রয়েছে।
‘বিজিসি’-এর অন্যতম জনপ্রিয় কোর্স ‘ব্যাচেলর অফ অপ্টোমেট্রি’ (বি.অপটম)। এটি পাঁচ বছরের কোর্স, যার মধ্যে এক বছরের ইন্টার্নশিপ রয়েছে। এই কোর্সে চক্ষু পরীক্ষা করা, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা চিহ্নিত করা, চোখের বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে শেখানো এবং রোগীদের চোখের যত্ন নেওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আধুনিক ল্যাব ও ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতাও এখানে অর্জন করে।
এছাড়াও ‘ভবানীপুর গ্লোবাল ক্যাম্পাস’-এ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে সাইকোলজি কোর্স করানো হয়। এই কোর্সে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে শেখার সুযোগ, ইন্টার্নশিপ ও বিভিন্ন কমিউনিটি প্রজেক্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করা হয়। পাশাপাশি গবেষণা, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং নৈতিকভাবে কাজ করার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
‘বিজিসি’-এর চিফ মেন্টর সিসিল অ্যান্টনি বলেন, “আমরা চাই শিক্ষার্থীরা শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতাও অর্জন করুক। এনসিএএইচপি-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী তৈরি পাঠ্যক্রম এবং কমিশনের অধীনে রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ শিক্ষার্থীদের একজন স্বীকৃত অ্যালাইড হেলথকেয়ার পেশাদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করবে।”
‘এনএএসি’-এর এ+ স্বীকৃতি, ‘এনবিএ’ অ্যাক্রেডিটেশন এবং ‘এআইসিটিই’, ‘পিসিআই’ ও ‘ইউজিসি’-র অনুমোদনপ্রাপ্ত ‘ভবানীপুর গ্লোবাল ক্যাম্পাস’-এ অপ্টোমেট্রি, সাইকোলজি, ডায়েটেটিক্স ও নিউট্রিশন এবং পাবলিক হেলথ-সহ বিভিন্ন অ্যালাইড হেলথ কোর্সে এআই-ভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের সফল পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তুলে ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সাহায্য করা।
এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘ভবানীপুর গ্লোবাল ক্যাম্পাস’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।