আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মনে মনে ভাবছেন, চুলের রংটা একটু বদলে নিলে কেমন হয়? কিন্তু কোন রঙে আপনাকে সব থেকে ভাল মানাবে, সেই দোলাচলেই কেটে যায় সময়। আপনার এই দ্বিধা কাটাতে এবং ভোলবদল করতে ফের একবার বাংলার পথে নেমেছে ‘গার্নিয়ার কালার কার’। গত বছরের বিপুল সাফল্যের পর, চলতি বছরেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাচ্ছে এই বিশেষ ভ্যান।
চুলে নতুন স্টাইল আর পছন্দের রং— এই দু’য়ের মিশেলে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে কার না ভাল লাগে! আর সেই পরিষেবা যদি পাওয়া যায় একেবারে বিনামূল্যে, তা হলে তো সোনায় সোহাগা। ২০২৩ সালে প্রথমবার বাংলার বুকেই এই সফরের সূচনা করেছিল ‘গার্নিয়ার’। মানুষের উন্মাদনা দেখে এই বছর মার্চ মাস থেকেই ফের শুরু হয়েছে এই বিশেষ অভিযান, যা চলবে আগামী জুন মাস পর্যন্ত। চারটি বিশেষভাবে তৈরি ভ্যানের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের মোট ২১টি জেলায় পৌঁছে যাচ্ছে এই পরিষেবা।
পদ্ধতিটিও ভারি চমৎকার। আপনার এলাকায় ‘কালার কার’ পৌঁছলে প্রথমে সেখানে গিয়ে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। এর পর ব্যবহার করা যাবে ‘গার্নিয়ার’-এর আধুনিক ‘ভার্চুয়াল ট্রাই-অন’ ফিচার। এই প্রযুক্তির সাহায্যে স্মার্টফোনের স্ক্রিনেই দেখে নেওয়া যাবে কোন রঙের শেডটি আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সব থেকে বেশি মানানসই। পছন্দের শেড বেছে নেওয়ার পরেই বিশেষজ্ঞের হাতে মিলবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চুলের ভোলবদল।
গোটা রাজ্য জুড়ে মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে এই ‘কালার কার’-কে ঘিরে। এখনও পর্যন্ত ২৭ হাজারেরও বেশি মানুষ এই পরিষেবার সুবিধা নিয়েছেন, যার মধ্যে খোদ কলকাতার বিভিন্ন পাড়া থেকেই জমা পড়েছে চার হাজারেরও বেশি অ্যাপ্লিকেশন। বর্তমানে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, মালদা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং দুই ২৪ পরগনা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এই গাড়িগুলি।
অনেকের মনেই চুলের রং নিয়ে নানা সংশয় থাকে। তবে ‘গার্নিয়ার’ জানাচ্ছে, তাদের এই রং সম্পূর্ণ অ্যামোনিয়া-মুক্ত এবং প্রাকৃতিক তেল সমৃদ্ধ। এটি শুধুমাত্র পাকা চুল ১০০ শতাংশ ঢেকে দেয় তাই-ই নয়, বরং চুলের ক্ষতি না করে ফিরিয়ে আনে জেল্লা। এই রং সহজলভ্য ও ব্যবহার করাও সুবিধাজনক, ফলে গ্রাহকদের জন্য চুলে রং করার অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে আরও সহজ ও নিরাপদ। তাই গ্রাম থেকে শহর, নিরাপদভাবে নতুন লুকে সেজে উঠছেন বাংলার সাধারণ মানুষ। আপনার পাড়ায় কবে আসছে এই ‘ম্যাজিক ভ্যান’? নজর রাখুন চারপাশে!
এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘গার্নিয়ার’-এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।