স্বেচ্ছাবসর (ভিআরএস) নেওয়ার জন্য প্রস্তাব জমা দিতে কর্মী-আধিকারিকদের ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছে বিএসএনএল। প্রাথমিক লক্ষ্য, ৭০-৮০ হাজার জন সেই তালিকায় নাম লেখাবেন। অথচ শুক্রবার দিনের শেষে খোদ টেলিকম সচিবেরই হিসেব, প্রকল্প চালুর পরে মাত্র তিন দিনেই ভিআরএস নিয়ে সংস্থার ছাড়ার প্রস্তাব এসেছে ৫৭ হাজারেরও বেশি কর্মীর তরফে।

প্রকল্পে অংশ নেওয়ার যোগ্য কর্মী-আধিকারিকের সংখ্যা ১ লক্ষের কিছু বেশি। তার পরেই সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে, কাজ ছাড়ার জন্য এত হুড়োহুড়ি কেন? এমন চললে কয়েক দিনের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গোটা তালিকাই তাতে শামিল হবে না তো?

এ দিন সংস্থার সিএমডি পি কে পুরওয়ার জানান, ৪০ হাজারেরও বেশি প্রস্তাব জমা পড়েছে। সংস্থা সূত্রের খবর, বিকেল পর্যন্ত তা প্রায় ৫৪ হাজার। অফিসের বাইরে থেকেও সেই প্রস্তাব জমার সুযোগ থাকায় রাত পর্যন্ত তা পৌঁছোয় ৫৬ হাজারে। পরে শুক্রবার রাতে টেলিকম সচিব অংশু প্রকাশ জানান, বিএসএনএল এবং এমটিএনএল মিলিয়ে ভিআরএস চেয়েছেন ৬০ হাজার কর্মী। যার মধ্যে বিএসএনএলেই ৫৭ হাজারের বেশি।

এক ঝলকে
• বিএসএনল কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী ভিআরএস নেওয়ার যোগ্য প্রায় ১ লক্ষ কর্মী।
• লক্ষ্য, অন্তত ৭০-৮০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছাবসরে সায় দেওয়া।
• প্রস্তাব জমার সময়সীমা আগামী ৩ ডিসেম্বর। 
• অথচ তিন দিনের মধ্যে প্রস্তাব জমা পড়েছে ৫৭ হাজারের বেশি।

যদিও বিএসএনএল এমপ্লয়িজ় ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক পি অভিমন্যুর দাবি, কর্তৃপক্ষ আতঙ্ক ছড়িয়ে পরোক্ষে কর্মীদের ভিআরএস নিতে চাপ দিচ্ছেন। যদিও কর্তৃপক্ষের দাবি, স্বেচ্ছবসর ইচ্ছামূলক।