Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

চা-কে জাতীয় পানীয় ঘোষণা করার দাবি তুললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ। চা শিল্পের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সম্প্রতি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় শিল্প-বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সেখানেই গগৈ ওই দাবি জানান। সীতারামন অবশ্য বলেন, “চা জাতীয় পানীয় হলে অন্যান্য পানীয়ের গুরুত্ব ক্ষুণ্ণ হতে পারে।”

শেষ আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৩৬

চা-কে জাতীয় পানীয় করার দাবি অসমের

নিজস্ব সংবাদদাতা • গুয়াহাটি

চা-কে জাতীয় পানীয় ঘোষণা করার দাবি তুললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ। চা শিল্পের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সম্প্রতি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় শিল্প-বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সেখানেই গগৈ ওই দাবি জানান। সীতারামন অবশ্য বলেন, “চা জাতীয় পানীয় হলে অন্যান্য পানীয়ের গুরুত্ব ক্ষুণ্ণ হতে পারে।” অন্য দিকে, সীতারামন জানান, সংসদে বাজেট অধিবেশনের সময় থেকেই পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন চা বাগান বন্ধ হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। সেই সূত্রে সার্বিক ভাবে দেশের চা শিল্পের হাল বুঝতেই বৈঠক। তিনি জানান, ন্যূনতম বেতন না-পাওয়া ও ছোট চা চাষিদের জমির পাট্টা না-থাকা নিয়ে ক্ষোভ জানানো হয় বৈঠকে। এ নিয়ে রাজ্যকে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন তিনি। তাঁর মতে, পাট্টা না-হলেও সরকারি শংসাপত্র দেওয়া যায়, যার সাহায্যে তাঁরা ঋণ পেতে পারেন।

সেবির রায় চ্যালেঞ্জ করল ডি এল এফ

সংবাদ সংস্থা • নয়াদিল্লি ও মুম্বই

সেবি-র নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবেদন করল ডিএলএফ। এ ব্যাপারে সেবি-র আপিল ট্রাইব্যুনাল স্যাট (সিকিউরিটিজ অ্যাপেলেট ট্রাইব্যুনাল) -এ আর্জি জানিয়েছে ভারতের এই অন্যতম বৃহৎ আবাসন নির্মাতা সংস্থা। আগামী ২২ অক্টোবর স্যাট-এ এই আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা। ২০০৭-এ নতুন ইস্যুর সময়ে ইচ্ছে করে তথ্য গোপনের অভিযোগে সংস্থার বিরুদ্ধে সেবি রায় দেয়, আগামী তিন বছর মূলধনী বাজারে লেনদেন করতে পারবে না ডিএলএফ ও সংস্থার কর্ণধার কুশল পাল সিংহ, তাঁর পুত্র-কন্যা রাজীব সিংহ (ভাইস চেয়ারম্যান) ও পিয়া সিংহ (পূর্ণ সময়ের ডিরেক্টর)। তালিকায় আছেন সংস্থা পরিচালনায় প্রথম সারিতে থাকা তিন কর্তাও। ওই ইস্যু মারফত বাজার থেকে ৯,১৮৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল ডিএলএফ, যা ভারতে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় পাবলিক ইস্যু।

নয়া চিফ পোস্ট মাস্টার জেনারেল

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

অরুন্ধতী ঘোষ সম্প্রতি চিফ পোস্ট মাস্টার জেনারেলের (সিপিএমজি, বেঙ্গল সার্কল) দায়িত্ব নিয়েছেন। এই পদে প্রথম কোনও বাঙালি মহিলা এলেন। এর আগে তিনি ছিলেন অসম সার্কলের সিপিএমজি। সর্বভারতীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরে তাঁর কর্মজীবনের শুরু হয় কলকাতায় ডাক বিভাগের সিনিয়র সুপার হিসাবে।

ধনতেরাস উপলক্ষে

বৌবাজারের দত্ত গিনি প্যালেসে শুরু হল ধনতেরাস মেলা। চলবে আগামী ২২ তারিখ পর্যন্ত। এখানে সোনার গয়নার মজুরিতে ২০% ও হিরের গয়নার দামে ৫% ছাড় দেওয়া হচ্ছে। দোকান খোলা রবিবারেও।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy