পেট্রল পাম্প থেকে বিভিন্ন সংস্থা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির বেশি তেল (বাল্ক) কেনায় নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে কেন্দ্র। পাশাপাশি, সাধারণ পাম্পে দিনে একলপ্তে ২০০ লিটারের বেশি তেল কেনা যাবে না। এর জেরে হাসপাতাল, ডেটা সেন্টার, তথ্যপ্রযুক্তি পার্কগুলির মতো জেনারেটরের উপরে নির্ভরশীল ক্ষেত্রগুলির সঙ্কট বাড়তে চলেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের। তাদের বক্তব্য—
- আইসিইউ এবং জটিল অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে সামান্য ভোল্টেজ ওঠানামা বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জেনারেটর না থাকা রোগীদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
- নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা দিতে তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক, টেলিকম পরিকাঠামো ও ডেটা সেন্টারগুলি জেনারেটরের উপরে নির্ভর করে। তাদের সঙ্কট বাড়বে।
- অনেক প্রতিষ্ঠান আপৎকালের জন্য নিয়মিত ভাবে পাম্প থেকে তেল কিনে মজুত ভান্ডারে জমা রাখে। তারাও সমস্যায় পড়বে।
কেন্দ্র অবশ্য শনিবার আশ্বাস দিয়েছে, দেশে জ্বালানির জোগান যথেষ্ট। কালোবাজারি রুখতেই বেশি তেল কেনায় নিষেধাজ্ঞা জারি। তবে তাতেও খুব আশ্বস্ত হতে পারছে না শিল্প মহল।
এ দিকে, পরিসংখ্যান জানাচ্ছে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধে হরমুজ় প্রণালী বন্ধ থাকায় রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলেছিল আমেরিকা। গবেষণা সংস্থা সিআরইএ-র জানাচ্ছে, এই সুযোগে গত মাসে মস্কো থেকে প্রায় ৬৭০ কোটি ডলারের বিভিন্ন জ্বালানি আমদানি করেছে ভারত। এর মধ্যে অশোধিত তেলই এসেছে প্রায় ৫৬০ কোটির। এপ্রিলের থেকে ৭% বেশি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)