বিশ্ব বাজারে বহু দিন হল ৮০ ডলারের নীচে অশোধিত তেলের ব্যারেল। তাকে উপরে তুলতে ফের উৎপাদন কমাচ্ছে সৌদি আরব। এতে জোগান কমবে। ফলে বিশ্ব বাজারে আবার তেলের দর চড়ার আশঙ্কা। গত অক্টোবরেও এক দফা উৎপাদন কমানো হয়।
রবিবার সৌদি বলেছে, মে মাস থেকে এই বছরের শেষ পর্যন্ত দৈনিক ৫ লক্ষ ব্যারেল উৎপাদন কমছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এতে উদ্বেগ বাড়ল ভারতের। তেলের চাহিদার বেশিরভাগই যে আমদানি করে। অশোধিত তেলের দাম বাড়লে আমদানির খরচ বাড়বে। তখন দেশে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হবে। একাংশের দাবি, তাই সম্প্রতি ব্রেন্ট ক্রুড ৭১ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই ৬৬ ডলারের কাছে নামায় পেট্রল-ডিজ়েলের দাম কমানোর দাবি ওঠে। বিরোধীদের বরাবরের অভিযোগ, বিশ্ব বাজারে দাম চড়লে দেশে তা যত দ্রুত দামি হয়, উল্টোটা হলে তেমন সস্তা হয় না।
তেল রফতানিকারীদের গোষ্ঠী ওপেক-এর মধ্যের ও বাইরের কিছু দেশের সঙ্গে সমন্বয়ে উৎপাদন কমবে, বলেছে সৌদি। ফলে তেলের উৎপাদন বাড়াতে বলা আমেরিকার সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও তিক্ত হতে পারে। সৌদির অবশ্য বার্তা, তেলের বাজারকে স্থিতিশীল করতে ‘সতর্কতামূলক পদক্ষেপ’ এটা।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)