শুল্ক-যুদ্ধে সন্ধির রাস্তা খুঁজতে ফের বৈঠক শুরু করেছে আমেরিকা ও চিন। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে চিনের ভাইস প্রিমিয়ার লিউ হি-র সঙ্গে বৈঠক করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অথচ তার ঠিক আগে বেজিংকে ফের খোঁচা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর বক্তব্য, অর্থনৈতিক ভাবে সব চেয়ে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে চিন। পরিস্থিতি সামলাতে তাই বাধ্য হয়েই ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে মরিয়া তারা।

গত প্রায় এক বছর দফায় দফায় বৈঠক হলেও শুল্ক-যুদ্ধের সমাধান হয়নি। বরং বারে বারে একে অপরের পণ্যের উপরে আমদানি শুল্ক চাপিয়েছে দু’পক্ষ। সম্প্রতি ২৮টি চিনা সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে ওয়াশিংটন। চিনের সরকারি আধিকারিকদের একাংশকে ভিসা দেওয়া নিয়েও কড়াকড়ি করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে একটি রিপোর্ট জানাচ্ছে, ২০১৯ সালে চিনে অতি ধনীদের সংখ্যা কমেছে। গত বছর যা ছিল ১,৮৯৩, এ বছর তা কমে হয়েছে ১,৮১৯। চিনের উৎপাদন ও নির্মাণ শিল্পও আর্থিক সমস্যার মধ্যে রয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে কারখানা মালিকদের নিট সম্পদে। তা দেখেই ট্রাম্পের মন্তব্য, শুল্ক-যুদ্ধের জেরে যা ক্ষতি হওয়ার চিনেরই হচ্ছে, আমেরিকার নয়। বহু কোটি ডলার ক্ষতির পাশাপাশি চিনে কাজ হারিয়েছেন কয়েক লক্ষ মানুষ।

ফলে সন্ধি-বৈঠকের সাফল্য নিয়ে সন্দিহান অনেকেই। এক চিনা সংবাদ মাধ্যমের খবর, প্রাথমিক আলোচনা বিশেষ কার্যকর না হলে চিনা প্রতিনিধি দল সফর কাটছাঁট করতে পারে।