Advertisement
E-Paper

জ়োম্যাটো-সুইগির পথে হেঁটে স্টকের দুনিয়ায় পা! ই-কমার্স সংস্থার ১১,০০০ কোটি টাকার আইপিওতে মেগা মুনাফা?

শেয়ারে লগ্নিকারীদের জন্য সুখবর। চলতি বছরের জুলাইয়ে আইপিও আনছে দেশের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ই-কমার্স সংস্থা। এর মাধ্যমে বাজার থেকে ১১,০০০ কোটি টাকা তোলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে তারা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ মে ২০২৬ ১৪:১৫
Representative Picture

—প্রতীকী ছবি।

এ বার শেয়ারবাজারে মেগা এন্ট্রি নেবে জ়েপ্টো! সেই লক্ষ্যে ‘ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং’ বা আইপিও আনছে দেশের অন্যতম ই-কমার্স সংস্থা। সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের জুলাইয়েই তাতে আবেদন করতে পারবেন লগ্নিকারীরা। শুধু তা-ই নয়, আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ১১,০০০ কোটি টাকা তোলার পরিকল্পনা করেছে বেঙ্গালুরুর এই স্টার্ট আপ।

এ বছরের মে মাসের গোড়ায় জ়েপ্টোকে আইপিও আনার প্রাথমিক অনুমোদন দেয় সেবি (সিকিউরিটিজ় অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া)। ফলে খুব দ্রুত বেঙ্গালুরুর স্টার্টআপটি তাদের খসড়া নথি বাজার নিয়ন্ত্রণকারী কেন্দ্রীয় সংস্থায় জমা করবে বলে মনে করা হচ্ছে, যার পোশাকি নাম ‘আপডেটেড ড্রাফ্‌ট রেড হেরিং প্রসপেক্টাস’ (ইউডিআরএইচপি)। সূত্রের খবর, গত ডিসেম্বরে আইপিওর অনুমোদন চেয়ে সেবির কাছে আবেদন করে তারা।

এ প্রসঙ্গে একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, চলতি বছরের ৩১ জুলাইয়ের আগেই শেয়ারের দুনিয়ায় পা রাখার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন জ়েপ্টোর দুই প্রতিষ্ঠাতা আদিত পালিচা এবং কৈবল্য ভোহরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া ছিলেন তাঁরা। কিন্তু, সেখানকার পাঠ অসমাপ্ত রেখে নামেন ই-কমার্সের ব্যবসায় এবং পেয়েছেন বেশ ভাল সাফল্য।

ভারতে জ়েপ্টোর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হল জোড়া অনলাইন ফুড ডেলিভারি সংস্থা জ়োম্যাটো ও সুইগি। বিশ্লেষকদের দাবি, ব্যবসায়িক বৃদ্ধি পেতে কখনওই তাদের অনুসরণ করেনি বেঙ্গালুরুর এই স্টার্ট আপ। উল্টে স্টোর বা গুদামের সংখ্যা বাড়ানোর দিকে নজর দিয়েছে তারা। বর্তমানে দেশের প্রতিটা শহরে জ়েপ্টোর গুদামসংখ্যা গড়ে ২১। সেখানে এখনও ৯-তে দাঁড়িয়ে আছে জ়োম্যাটো ও সুইগি।

ব্রোকারেজ ফার্মগুলির দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতের ৬১টি শহরে মোট ১,২৫৫টি গুদাম ঘর বা ডার্ক-স্টোর পরিচালনা করে জ়েপ্টো। সেখানে ২৪৩টি শহরে জ়োম্যাটোর সহযোগী ই-কমার্স সংস্থা ব্লিঙ্কিটের ডার্ক-স্টোরের সংখ্যা ২,২২২। শুধু তা-ই নয়, পিনকোড ও গুদামের অনুপাতের নিরিখে আদিত ও কৈবল্যের সংস্থা সবচেয়ে এগিয়ে আছে বলে জানিয়েছে তারা।

গত বছরের (২০২৫ সাল) অক্টোবরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফর্নিয়ার ‘পাবলিক এমপ্লয়িজ় রিটারমেন্ট সিস্টেম’-এর নেতৃত্বে ৪৫ কোটি ডলার সংগ্রহ করে জ়েপ্টো, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৩,৭৫৭.৫ কোটি টাকা। এর জেরে বেঙ্গালুরুর ই-কমার্স সংস্থাটির বাজারমূল্য দাঁড়ায় ৭০০ কোটি ডলার। ২০২৩ সালের অগস্টে সিরিজ় ই ফান্ডিং রাউন্ডে ২০ কোটি ডলার সংগ্রহের পর ইউনিকর্নের মর্যাদা অর্জন করে তারা। ওই সময় স্টার্টআপটির বাজারমূল্য ছিল ১৪০ কোটি ডলার।

২০২১ সালে জ়োম্যাটো এবং ২০২৪ সালে শেয়ারবাজারে পথ চলা শুরু করে সুইগি। এই দুই জনপ্রিয় ফুড ডেলিভারি সংস্থার আইপিওতে আবেদনে লগ্নিকারীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। জ়েপ্টোর ক্ষেত্রে একই ছবির পুনরাবৃত্তি দেখতে পাওয়া যায় কি না, তার উত্তর দেবে সময়।

(বিশেষ দ্রষ্টব্য: শেয়ারবাজারে লগ্নি বাজারগত ঝুঁকিসাপেক্ষ। আর তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনেই স্টকে বিনিয়োগ করুন। এতে আর্থিক ভাবে লোকসান হলে আনন্দবাজার ডট কম কর্তৃপক্ষ কোনও ভাবেই দায়ী নয়।)

Stock Market News Sensex Nifty IPO News
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy