×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ই-পেপার

বাজেটে চাহিদা বাড়ানোয় জোর দিতে সওয়াল

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ও মুম্বই ২৫ জানুয়ারি ২০২১ ০৬:২৭
— ছবি সংগৃহীত

— ছবি সংগৃহীত

করোনার মধ্যে অর্থনীতিকে টেনে তুলতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র এবং রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, তার মধ্যে বেশিরভাগ সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে লকডাউনে ভেঙে পড়া জোগান ব্যবস্থাকে ঠিক করতে। ফলে বাদ থেকে গিয়েছে চাহিদা বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ করা। এ বার বাজেটে ঠিক সেই কাজটাই করার দাবি জানাল মূল্যায়ন সংস্থা ইন্ডিয়া রেটিংস। তাদের মতে, না-হলে আগামী দিনে ফের তলিয়ে যেতে পারে অর্থনীতি। উপদেষ্টা সংস্থা ডেলয়েটের সমীক্ষায় আবার আশা, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বাজেটে শিল্পের জন্য আরও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

লকডাউনের মধ্যে গত এপ্রিল-জুনে দেশের জিডিপি কমেছে ২৩.৯%। তার পরের তিন মাসে পতনের হার ৭.৫%। বিভিন্ন মহলের পূর্বাভাস, চলতি অর্থবর্ষের তৃতীয় ও চতুর্থ ত্রৈমাসিকে তা ফের বৃদ্ধির গণ্ডিতে ফিরবে। তবে সব মিলিয়ে ২০২০-২১ সালে তা থাকবে শূন্যের নীচেই।

ইন্ডিয়া রেটিংসের সুনীল কুমার সিন্‌হার মতে, এই পরিস্থিতিতে চাহিদা বাড়ানোর জোর দিতে হবে কেন্দ্রকে। না-হলে শুধু জোগান ব্যবস্থাকে টেনে তুলে বৃদ্ধি ধরে রাখা যাবে না। কারণ, সংস্থাগুলি যদিও বা উৎপাদন বাড়ায়, ক্রেতারা সে ভাবে এগিয়ে না-এলে এক সময়ে তারা উৎসাহ হারাবে। ফলে ফের ধাক্কা লাগবে অর্থনীতিতে। এর সুরাহা হিসেবে বাজেটে পরিকাঠামোয় ব্যয় বাড়ানো, আবাসন এবং ছোট-মাঝারি শিল্পকে সুবিধা দেওয়ার দাবি করেছে মূল্যায়ন সংস্থাটি।

Advertisement

এ দিকে ন’টি শিল্প ক্ষেত্রে ১৮০টি সংস্থাকে নিয়ে করা নিজেদের সমীক্ষায় একই কথা জানিয়েছে ডেলয়েটও। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী অধিকাংশ শিল্প সংস্থারই আশা, ব্যবসার হাল ফেরানোর জন্য পদক্ষেপ করা হবে এ বারের বাজেটে। সেই সঙ্গে একটা বড় অংশের (প্রায় ৭০%) ধারণা, চাহিদা বৃদ্ধি এবং অর্থনীতিকে টেনে তোলার ব্যবস্থাও থাকবে সেখানে।

ডেলয়েটের মতে, অনেকেই মনে করেন ব্যক্তিগত করছাড়ের সীমা বাড়লে তা চাহিদাকে টেনে তুলতে পারে। সে ক্ষেত্রে লগ্নিতে উৎসাহ পাবে সংস্থাগুলিও। সেই সঙ্গে তুলনায় কম দক্ষ কর্মীদের কাজের সুযোগ বাড়াতেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বাজেটে।



Tags:

Advertisement