পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে ডলারের সাপেক্ষে টানা পড়ছে টাকার দাম। বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম বাড়ায় চড়ছে আমদানি খরচ। এই অবস্থায় বিদেশি মুদ্রার দেশের বাইরে বেরিয়ে যাওয়া আটকাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তেলের ব্যবহার বা সোনা কেনা কমানো ছাড়াও ভারতীয়দের বিদেশ ভ্রমণে রাশ টানতে বলেছিলেন। রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের তথ্য বলছে, সেই আবেদনের আগেই ইরান যুদ্ধের প্রথম মাস অর্থাৎ মার্চে (২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম ইরানে হামলা করে আমেরিকা) ভারতীয়দের বিদেশে বেড়ানো কমেছে। সব মিলিয়ে মার্চে ভারত থেকে বিদেশে গিয়েছে ২৫৯ কোটি ডলার। এর মধ্যে পর্যটন খাতে খরচ হমেছে ১০৯ কোটি। যা তার আগের মাসের থেকে ২১.২৪ কোটি কম। জানুয়ারিতে পর্যটনে বেরিয়ে গিয়েছিল ১৬৫ কোটি ডলার। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, টাকার নিরিখে ডলারের দাম বিপুল বেড়েছে। তাই মাত্রাছাড়া খরচের আশঙ্কাতেই বহু মানুষ বিদেশ ভ্রমণের আগ্রহ হারাচ্ছেন।
ভারতীয়দের বিদেশে ঘোরা, শিক্ষা,পরিবারের সদস্যদের জন্য খরচ এবং শেয়ার-ঋণপত্রে লগ্নি নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে শীর্ষ ব্যাঙ্ক। সেই ‘আউটওয়ার্ড রেমিট্যান্স আন্ডার দ্য লিবারালাইজ়ড রেমিট্যান্স স্কিম ফর রেসিডেন্ট ইন্ডিভিজ়ুয়ালস’ বলছে, ব্যবসায়িক ভ্রমণ, তীর্থযাত্রা, চিকিৎসা, শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বিদেশে ব্যয় করেছেন দেশবাসী। যার মধ্যে পর্যটনে খরচ হয়েছে ১০৯ কোটি। বিদেশে মোটভ্রমণের খরচের ৫৭% (৬২.৩ কোটি ডলার) গিয়েছে অন্যান্য ক্ষেত্রে। এতেআছে ছুটি, আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডেরবিল মেটানো ইত্যাদি। ২০২৪-২৫ সালে ভ্রমণে খরচ ছিল ১৬৯৬ কোটি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)