E-Paper

নির্বিঘ্নেই মিটল রাজ্য জয়েন্ট

এ দিন বেলা এগারোটা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত ছিল অঙ্ক পরীক্ষা। এর পর এক ঘণ্টা বিরতির পরে দুপুর দুটো থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত ছিল পদার্থবিদ্যা এবং রসায়ন পরীক্ষা।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ০৭:৫৭
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। রবিবার পরীক্ষার পরে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ২৬৭টি কেন্দ্রে এ দিন পরীক্ষা হয়েছে। কোথাও গন্ডগোলের খবর নেই। পরীক্ষায় স্বচ্ছ্বতা আনতে পরীক্ষার্থীরা যে ওএমআর শিটে লিখেছেন, সেই ওএমআর শিটের কার্বন কপি তাঁদের দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রশ্ন ফাঁসের জেরে নিট বাতিল হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য জয়েন্ট নিয়েও অনেকের মনে আশঙ্কা দানা বেঁধেছিল।

এ দিন বেলা এগারোটা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত ছিল অঙ্ক পরীক্ষা। এর পর এক ঘণ্টা বিরতির পরে দুপুর দুটো থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত ছিল পদার্থবিদ্যা এবং রসায়ন পরীক্ষা। অঙ্ক পরীক্ষা দিয়েই পরীক্ষার্থীদের একাংশ জানান, অঙ্ক প্রশ্ন বেশ কঠিন এসেছে। দু’ঘন্টার মধ্যে ৭৫টি প্রশ্নের উত্তর লেখা বেশ শক্ত ছিল। কারণ, প্রতিটি প্রশ্নই বেশ দীর্ঘ ছিল ও হিসাব কষতে সময় লেগেছে। এক পরীক্ষার্থীর কথায়, ‘‘রাজ্য জয়েন্টের অঙ্ক প্রশ্ন সর্বভারতীয় জয়েন্ট এন্ট্রান্সের থেকে কঠিন এসেছে।’’ যদিও এই বিষয়ে বোর্ড জানিয়েছে, রাজ্য জয়েন্ট তাদের নির্দিষ্ট মান অনুযায়ীই প্রশ্ন করেছে।

কলকাতার বেথুন স্কুল ও যাদবপুর বিদ্যাপীঠের কয়েক জন পরীক্ষার্থীর অভিযোগ, যাঁরা জুতো পরে পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন তাঁদের জুতো খুলে অঙ্ক পরীক্ষা দিতে বলা হয়। যদিও জুতো খোলার কোনও নির্দেশিকা ছিল না বলেই পরীক্ষার্থীদের দাবি। দু’টো পরীক্ষার মাঝে এক ঘণ্টার যে বিশ্রামের সময় ছিল তখন পরীক্ষার্থীদের প্রথমে কেন্দ্রের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। ফলে অভিভাবকেরা যে খাবার নিয়ে এসেছিলেন তা প্রথমে তাঁরা পরীক্ষার্থীদের দিতে পারছিলেন না। পরীক্ষাকেন্দ্রের গেটের বাইরে ভিড় হয়ে যাওয়ায় পরে নিয়ম শিথিল করা হয়। কিছু পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে এসে খাবার খান।

জেলাগুলিতেও বড় ধরনের কোনও অভিযোগ না-উঠলেও কিছু কিছু কেন্দ্রে কিছু অব্যবস্থার অভিযোগ উঠেছে। যেমন, পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরের সুভাষপল্লির বাসিন্দা ঋজু ঘোষ বলেন, ‘‘পরীক্ষার সময় জলের বোতল দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিল, তাই জল নিয়ে যাইনি। অথচ, জলের বোতল না দেওয়ায় অসুবিধা হয়েছে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

engineering

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy