E-Paper

যুদ্ধের জেরে কমছে আমদানি, দেশে বাড়তে পারে ফোন কেনার খরচ

ওপো ইন্ডিয়ার কর্তা গোল্ডি পট্টনায়েক অবশ্য মনে করেন, এখনও যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব তেমন ভাবে ভারতীয় মোবাইল সংস্থাগুলির উপর পড়েনি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:১৩
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে দেশে মোবাইল ফোন আমদানির লক্ষ্যমাত্রা কমানো হয়েছে। তার পরেও এই ক্ষেত্রের উপরে ঠিক কতটা প্রভাব পড়তে পারে, তা খোলসা করে বলতে পারছেন না বিশেষজ্ঞেরা। তাঁদের মতে, বিষয়টি এপ্রিল-জুন এবং তার পরবর্তী সময়ে স্পষ্ট হবে। তবে আগামী দিনে দাম খানিকটা বেড়ে যাওয়ারই আশঙ্কা।

গবেষণাকারী সংস্থা কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের মতে, কমপক্ষে ৪০ লক্ষ ফোন কম আসতে পারে দেশে। আগে গোটা বছরে ১৪.২ কোটি আসত। এ বার সেই সংখ্যা ১৩.৮ কোটির কিছু কমবেশি হতে পারে। আর তার জেরে ফোনের দামও বাড়তে পারে। দাম বৃদ্ধির হার ১০-১২ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

ওপো ইন্ডিয়ার কর্তা গোল্ডি পট্টনায়েক অবশ্য মনে করেন, এখনও যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব তেমন ভাবে ভারতীয় মোবাইল সংস্থাগুলির উপর পড়েনি। তবে তাঁর মতে, সারা বিশ্বে যখন ধাক্কা লেগেছে, তখন ভারতের ক্রেতারাও হয়তো পুরোপুরি দাম বৃদ্ধির চাপ এড়িয়ে যেতে পারবেন না। সেপ্টেম্বরের মধ্যে সমস্যা কিছুটা পরিষ্কার হবে। এখন যেটুকু ইঙ্গিত, তাতে মূলত কম দামি বেসিক ফোন এবং ‘মিড সেগমেন্ট’ অর্থাৎ কম দামির উপরের ধাপের ফোনগুলির দামে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। দামি স্মার্টফোনের বিষয়টি নিয়ে তিনি নিশ্চিত নন। যদিও ওপো মনে করছে, চলতি বছরে সংস্থার বিক্রি ১০ শতাংশের বেশি বাড়তে পারে।

ইন্টারন্যাশনাল ডেটা কর্পোরেশন বা আইডিসি-র দাবি, ভারতে মোবাইল আমদানি কমে দাঁড়াতে পারে প্রায় ১৩.২ কোটি। আইডিসি ইন্ডিয়ার গবেষণা বিভাগের প্রধান উপাসনা জোশীও মনে করেন, সেপ্টেম্বরের পরে এর প্রভাব স্পষ্ট হবে। যা খুব একটা স্বস্তিদায়ক না-ও হতে পারে।

ওপো, ভিভো, এমআই, স্যামসাং-এর মতো সংস্থার ফোনে ব্যবহৃত চিপ তৈরির জন্য হিলিয়াম-সহ বিবিধ উপাদানের আংশিক পশ্চিম এশিয়া থেকে আসে। যা এখন বাধার মুখে। ফোনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের মতো উপাদান পেট্রলিয়ামজাত বলে সেগুলির জোগানও কমেছে। সঙ্গে রয়েছে জাহাজের সমস্যা। ফলে বিভিন্ন দেশে ফোন তৈরির কর্মকাণ্ড ধাক্কা খাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তারই প্রভাব দেশে মোবাইলের জোগানে। তাই দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকছেই।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

US-Iran War Smart Phones

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy