চাহিদার তুলনায় বাংলাদেশে ধান বেশি উৎপাদন হয়েছে। ফলে ভারত থেকে কম চাল কিনতে হয়েছে। এর জেরে ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে এপ্রিল থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ন’মাসে বেশ ধাক্কা খেয়েছে ভারতের চাল রফতানি। সরকারি তথ্য বলছে, নানা কারণে পণ্যটি রফতানি কমেছে ৯.৪%। সূত্রের খবর, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে ভারতের চালের বড় ক্রেতা বাংলাদেশ। সেখানে বিপুল ফলন হওয়ায় রফতানি ধাক্কা খেয়েছে। এতে ইন্ধন জুগিয়েছে চিন, আফ্রিকার নানা দেশে চাহিদায় কমাও।

কেন্দ্রের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত পণ্য রফতানি উন্নয়ন পর্ষদের হিসেব বলছে, টাকার অঙ্কে চাল রফতানি কমে দাঁড়িয়েছে ৪৫,১১৪ কোটিতে। তবে সামগ্রিক ভাবে চাল রফতানি কমলেও, ভিন্‌ দেশে ভারতের বাসমতির কদর বেড়েছে। গত অর্থবর্ষে তা রফতানি হয়েছে ২৮,৫৯৯ কোটি টাকার।

দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এক দশক ধরে বাংলাদেশ থেকে চাল রফতানিতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলছে। এ বার উৎপাদনও বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিবেশী দেশটির বাজারে জোগানে ঘাটতি হচ্ছে না। দামও নিয়ন্ত্রণে থাকছে। ফলে সব মিলিয়েই সেখানে আমদানি কমে গিয়েছে। এর ফলে রফতানিতে ধাক্কা লাগায় ভারতেও কমেছে তার দাম।

বৃহস্পতিবার অবশ্য বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তারা চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কথা বলবেন। ব্যবসায়ীরা বহু দিন ধরেই নিষেধাজ্ঞা তোলার আর্জি জানাচ্ছেন। তিনি বলেন, যদি উৎপাদন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হয়, তা হলে রফতানিতে সায় দিতে পারেন তাঁরা।