লোকসভা নির্বাচনের ভোট পর্বে পা রাখার আগের দিন, বুধবার এক ধাক্কায় ৩৫৩.৮৭ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স। দাঁড়াল ৩৮,৫৮৫.৩৫ অঙ্কে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই পতন আসলে ভোটের মুখে লগ্নিকারীদের সতর্ক পদক্ষেপের ফল। কারণ অনেকেই এখন শেয়ার ধরে রাখতে সাহস পাচ্ছেন না। বিশেষত উঁচু বাজারের যেহেতু সামান্য উদ্বেগেই হুড়মুড়িয়ে পড়ার ঝোঁক বেশি থাকে।

বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, ভোটজনিত উদ্বেগ তো আছেই। পতনে ইন্ধন জুগিয়েছে অর্থনীতি নিয়ে আশঙ্কাও। ভারত ও বিশ্ব অর্থনীতির অগ্রগতির পূর্বাভাস ছেঁটেছে আন্তার্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার (আইএমএফ)। বাণিজ্য নিয়ে নতুন উত্তেজনা মাথা তুলেছে আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে। এয়ারবাসকে ইইউ ভর্তুকি দেওয়া বন্ধ না করলে তাদের ১,১০০ কোটি ডলারের পণ্যে আমদানি শুল্ক চাপানোর হুমকি দিয়েছে আমেরিকা। অশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়েও ছড়িয়েছে উদ্বেগ। 

তবে দেকো সিকিউরিটিজের কর্ণধার অজিত দে-র দাবি, নতুন সরকার না আসা পর্যন্ত বাজারে অনিশ্চয়তা বজায় থাকবে। আর ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রাক্তন ডিরেক্টর এস কে কৌশিকের মন্তব্য ‘‘বিদেশি আর্থিক সংস্থাগুলি মুনাফার টাকা নিতে শেয়ার বিক্রি শুরু করলেই কিন্তু বাজার আরও পড়তে পারে।’’