Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৮ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার

সম্পাদক সমীপেষু: এখনও বিদ্যুৎ নেই

০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০৪:৪৪

আমরা নদিয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জ থানা ও ব্লক অন্তর্গত মাজদিয়া বিশ্বাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এই বিশ্বাসপাড়ায় আমরা প্রায় কুড়িটি তফসিলি জাতি, জনজাতি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের পরিবার বসবাস করি। কৃষ্ণনগর-মাজদিয়া মূল রাজপথ-লাগোয়া এই গ্রামে আমরা গত পঁচিশ বছর ধরে বিদ্যুতের আবেদন করে তা আজও পাইনি। পাড়ার সকলে মিলে চাঁদা তুলে ১৯৯৪ সালে ইলেকট্রিক অফিসে টাকা জমা দিয়ে তার পর বিডিও, এসডিও, ডিএম, মুখ্যমন্ত্রী, মানবাধিকার কমিশন— সর্বত্র ধর্না দিয়ে বিফল হয়েছি। অজ্ঞাত কোনও কারণে আজও লাইন পাইনি এবং টাকাও ফেরত পাইনি। ভোট আসে ভোট যায়। কিন্তু বিদ্যুৎ আসে না।

শেষে কলকাতা হাই কোর্টের আদেশে জেলার ডিএম সাহেব ডব্লিউবিএসইডিসিএল-কে দু’বছর আগে লাইন দিতে নির্দেশ দিলেও, সরকারি তরফে সেই আদেশ অমান্য করা হয়েছে এবং আজও আমরা অন্ধকারে বাস করছি। অবর্ণনীয় কষ্ট আর অমানবিক পরিস্থিতিতে আমরা প্রতি মুহূর্তে এক অবিচারের শিকার হচ্ছি, যা যে কোনও সভ্য দেশে এক বিরল ঘটনা।

আনন্দ বক্সী, মাজদিয়া, নদিয়া
শব্দ-আমোদ

Advertisement

প্রথমে পড়াশোনা, তার পর কর্মসূত্রে প্রায় চার বছর বর্ধমান শহরে আছি। যখন নানাবিধ দূষণ নিয়ে আলোচনা চলছে এবং সেটাই স্বাভাবিক, সেখানে শব্দদূষণ নিয়েই বা বলা বাকি থাকে কেন? প্রত্যেক শীতে বনভোজন বা কোনও উপলক্ষে রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় তারস্বরে বক্স বা ডিজে বাজিয়ে যাওয়াটা একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষত নবীন প্রজন্ম শব্দদূষণের বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে গোটা শীতকাল আমোদে ব্যস্ত থাকে। শুধু সকালে নয়, সন্ধে থেকে শুরু করে রাত একটার সময়ও একই রকম ছবি দেখা যায়। স্বাভাবিক ভাবেই এ রকম আমোদ এলাকাবাসী, এবং রোগীদের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সায়ক দে, বিজয়গড়, কলকাতা

রাস্তায় বাজার

দু’লেন বিশিষ্ট বজবজ ট্রাঙ্ক রোডের উপর অবস্থিত শ্যামপুর বাজার বর্তমানে প্রায় ৩৫০-৪০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। খুবই ব্যস্ত রাস্তা। তার উপর রাস্তার দু’ধারে বাজার বসার ফলে ৪০০ মিটার রাস্তা পেরোতে ১০ মিনিট সময় অতিক্রান্ত হয়ে যায়। অটো, বাস, ট্রাক, লরি, বাইক, সাইকেল সব রকম যানবাহন চলাচলে এতটাই যানজটের সৃষ্টি হয় যে, অফিসযাত্রীরা রীতিমতো আতঙ্কে থাকেন। প্রশাসন থেকে যদি এই বাজারটিকে কোনও মাঠের মধ্যে বা অন্তত মেন রোড থেকে একটু ভিতর দিকে স্থানান্তরিত করার চেষ্টা করে, তা হলে সকলেই উপকৃত হবেন।

পামেলা বসু, কলকাতা-১৩৭

টাকা পেলাম না

আমি গত ১০ জানুয়ারি পিএনবি ডেবিট কার্ড দিয়ে ইউবিআই-এর শ্যামনগরের এটিএম থেকে ৪০০০ টাকা তোলার চেষ্টা করি। টাকা পাইনি। কিন্তু স্লিপ বেরিয়েছে ট্রানজ়াকশন সফল বলে। এর পর দু’বার মিনি স্টেটমেন্ট বার করে ফিরে আসি। রাতে পিএনবি কাস্টমার কেয়ার-এ ফোন করে অভিযোগ জানাই। ১৭ জানুয়ারি তারা আমাকে জানায়, সফল ট্রানজ়াকশন-এর জন্য আমার অভিযোগ বাতিল করা হয়েছে।

১৯ জানুয়ারি পিএনবি, গড়িয়াতে লিখিত অভিযোগ করি সিসিটিভি ফুটেজ দেখানোর জন্য। কোনও উত্তর না পেয়ে ২৯ তারিখ এই ব্যাপারে আবার রিমাইন্ডার জমা দিই। তারও কোনও উত্তর ব্যাঙ্ক দিচ্ছে না। শুধু বলছে— আপনি বার হওয়ার পর হয়তো কেউ টাকা তুলে নিয়েছে।

এই ভাবে টাকা কি খোয়া যেতে পারে? আমার টাকা সুদ-সহ ফেরতের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করছি।

অশোক কুমার রায়, কলকাতা-৮৪

‘দ’হীন

হাওড়ার শরৎ সদন বর্তমানে জেলা ও রাজ্যের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। জেলার নির্বাচনের মুখ্য ট্রেনিং সেন্টার এখন এটি। গত ১০ জানুয়ারি সেক্টর অফিসারদের ট্রেনিং হয়েছে। ৩০ জানুয়ারি অ্যাসেম্বলি লেভেল মাস্টার ট্রেনারদের ট্রেনিং হয়েছে। ৫ ফেব্রুয়ারি আবার সেক্টর অফিসারদের ট্রেনিং হবে। গত ২৬-৩১ জানুয়ারি এই শরৎ সদন চত্বরেই ৩২তম বইমেলা আয়োজিত হয়েছিল। অথচ, ঐতিহাসিক এই শরৎ সদনের মাথায় যে নাম লেখা আছে, তাতে ‘দ’-ই নেই। জিটি রোড, এইচআইটি বিল্ডিং ও হাওড়া হাটের অগণিত মানুষ-সহ নিত্যযাত্রীরা
শরৎ সদনকে ‘শরৎ স-ন’ পড়ছেন। দ্রুততার সঙ্গে ‘দ’টি প্রতিস্থাপনের আর্জি জানাই।

লক্ষ্মণ সাঁতরা, দাদপুর, হুগলি

ব্যাঙ্ক নেই

ঘনবসতিপূর্ণ বালির পাঠকপাড়ায় (হাওড়া জেলা) কোনও ব্যাঙ্ক নেই। ব্যাঙ্কের সুবিধা পাওয়ার জন্য প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে বালি বাজার বা বালি বাদামতলা যেতে হয়। এতে প্রবীণদের খুব অসুবিধা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ, অবিলম্বে পাঠকপাড়ায় একটি ব্যাঙ্ক স্থাপন করা হোক।

রঞ্জিত কুমার দাস, বালি, হাওড়া

বিনা পয়সায়

পুর প্রশাসন এলাকায় ‘সুলভ শৌচালয়’-এর সংখ্যা হাতেগোনা। মেয়েদের ক্ষেত্রে এই দুর্ভোগ চরম এবং অস্বস্তিকর। যেখানে শৌচালয়ের অস্তিত্ব বা মান নিয়ে কোনও আঙুল তোলা যায় না, সেখানে পকেট থেকে একটা কয়েন বার করতে হবে। দু’টাকা দিয়ে খুব বেশি লোক, মূলত পুরুষরা যেতে চান না শৌচালয়ে, যা অসচেতনতার দৃষ্টান্ত। প্রশাসন যদি নির্দিষ্ট দূরত্বে শৌচাগার আরও বেশি তৈরি করে ও সুলভ শৌচালয়কে মাসুলমুক্ত করে, তবে প্রতিটি মানুষকে শৌচালয়মুখী করা যাবে।

সুবীর ভুঁইয়া, ঘাটাল, পশ্চিম মেদিনীপুর

শিক্ষার প্রয়োজন

আমাকে মফস্সল থেকে কলকাতার দিকে যাতায়াত করতে হয়। রোজ দেখি, বাসে, ট্রেনে বৃহন্নলাদের অযাচিত উপস্থিতি। বিশেষ করে হাওড়ার বালি থেকে ধুলাগড় যাওয়ার রাস্তায় প্রত্যেক বাসই এঁদের নজরে থাকে। বাসে উঠে এঁরা মূলত তরুণ প্রজন্মকে উত্ত্যক্ত করেন এবং তাদের অসহায়তার সুযোগ নেন। কেউ প্রতিবাদ করলে প্রচণ্ড হেনস্থার শিকার হতে হয়। ফলে সম্মান বাঁচাতে সাধারণ মানুষ এঁদের অন্যায্য দাবির কাছে হার মানে।

বর্তমানে সংবিধান অনুযায়ী, এঁরা তৃতীয় লিঙ্গ এবং সব রকম নাগরিক অধিকারের দাবিদার। নিয়ম অনুযায়ী, এঁরা সমস্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। তা সত্ত্বেও এঁরা পথেঘাটে মানুষকে হেনস্থার মাধ্যমে রোজগারের পন্থা নেন। সরকার এবং পুলিশ সব কিছু দেখে, জেনেও নীরবতা পালন করছে। সরকার কেন উপযুক্ত পদ্ধতির মাধ্যমে এঁদের কাছে সরকারি প্রকল্পের সমস্ত সুযোগসুবিধা পৌঁছোনোর ব্যবস্থা করে না? দ্বিতীয়ত, এঁরা সাধারণ মানুষের প্রতি যে ধরনের আচরণ, অঙ্গভঙ্গি করে থাকেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা করা হয় না কেন? তৃতীয়ত, সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পরও সরকারের তরফ থেকে কেন এঁদের শিক্ষিত করা হয় না? এঁদের অসংযত আচরণ এবং অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ একমাত্র সঠিক সামাজিক শিক্ষার মাধ্যমেই শোধরানো সম্ভব। তার জন্য সরকার পোষিত বা সাহায্যপ্রাপ্ত সংস্থাগুলির উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজন।

দেবাশিস চক্রবর্তী, মাহেশ, হুগলি

আরও পড়ুন

Advertisement