ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করতে হবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের তথ্যযাচাই ও ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া। সে জন্যই অত্যাধুনিক কক্ষ— ‘স্টেট অফ দ্যা আর্ট কিউবিক্যাল’ গড়ে তুলেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। কর্তৃপক্ষের দাবি, নিয়োগ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার পাশাপাশি ও দ্রুততার লক্ষ্যেই এই আধুনিকীকরণ।
জানা গিয়েছে, এই বিশেষ কক্ষ সম্পূর্ণ ভাবে শব্দরোধী। গোটা ঘর জুড়ে রয়েছে বেশ কিছু আধুনিক ক্যামেরা। তথ্য যাচাই বা ইন্টারভিউয়ের সম্পূর্ণ ভিডিও রেকর্ডিং করা যাবে এই ক্যামেরার মাধ্যমে। মোট ২০ কিউবিক্ল থাকবে। প্রত্যেকটি কিউবক্লে বসতে পারবেন তিনজন বিশেষজ্ঞ থাকবে। প্রত্যেকের কাছে থাকবে পৃথক ল্যাপটপ। প্রার্থীর তথ্য যাচাই, ইন্টারভিউ বা ক্লাস ডেমোস্টেশন-এর নম্বর দেওয়া হবে অনলাইনে।
আরও পড়ুন:
কর্তৃপক্ষের দাবি, একসঙ্গে ১৫০০ থেকে ২৫০০ প্রার্থীর তথ্যযাচাই বা ইন্টারভিউ নেওয়া যাবে এই ঘরে। এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল বলেন, “নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পূর্ণ করার জন্য এই ধরনের ঘর তৈরি করা হচ্ছে। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।”
ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের তথ্য যাচাই ও ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া। প্রথম পর্যায়ে শুধুমাত্র ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের প্রার্থীদেরই ডাকা হয়েছে। মোট শূন্যপদ রয়েছে ১৩৪২১। বছর শেষে দু’দিন ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলির জন্য ইন্টারভিউ হয়েছে। ২৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে ৫০ জনের প্রার্থীপদ বাতিল হয়েছে। ওই ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় ভিডিও রেকর্ডিং-এর সব রকম ব্যবস্থা ছিল। ১০টি কিউবিক্লের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রার্থী কম থাকায় ব্যবহার হয়েছে মাত্র ছ’টি। জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ থেকে বাংলা ও অন্য বিষয়ের জন্য ধাপে ধাপে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে পর্ষদ সূত্রের খবর।