ফের একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রকাশিত শূন্যপদে বিভ্রান্তির অভিযোগ উঠল। সোমবার এই মর্মে স্কুলশিক্ষা দফতর, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনে অভিযোগ করল অল পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। ফলে নিয়োগের জন্য কাউন্সেলিং শুরু হলেও বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না।
একাদশ-দ্বাদশ স্তরে ১০টি বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত ২৩ মার্চ থেকে কাউন্সেলিং শুরু হয়। কিন্তু প্রথম থেকেই ওই শূন্যপদ নিয়ে একের পর এক অভিযোগ উঠতে থাকে। এ বার নতুন করে অভিযোগ উঠেছে।
সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক চন্দন গড়াই জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বহু অযোগ্য প্রার্থীর চাকরি গিয়েছে। ফলে বিভিন্ন স্কুলে সেই সব স্থান শূন্য থেকে গিয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে সেই সব শূন্যপদের কোনও উল্লেখ নেই। কাউন্সেলিং শুরু হলেও, পর পর নানা বিভ্রান্তিতে ভরা এই তালিকা দ্রুত সংশোধন করার দাবি তুলেছেন তিনি।
এর আগেও চন্দন অভিযোগ জানিয়েছিলেন । তাঁর অভিযোগ ছিল, ২০১৬ সালে কোনও প্রার্থী একটি স্কুলে শিক্ষকতার কাজে যোগ দেন। পরে তিনি আপস-বদলির মাধ্যমে অন্য স্কুলে চলে যান। অর্থাৎ তাঁর জায়গায় ওই স্কুলে ইতিমধ্যেই অন্য শিক্ষক রয়েছেন। অথচ সম্প্রতি যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে এই পদটিকে শূন্য হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
আবার অন্য ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছিল কোনও একটি স্কুলে কোনও একটি বিষয়ে হয়তো একটি শূন্যপদ রয়েছে। কিন্তু তালিকায় দেখানো হচ্ছে শূন্যপদ দু’টি। এই সব অভিযোগ পেয়ে নড়ে বসেছিল দফতর। সব জেলা স্কুল পরিদর্শকদের ফের তালিকা যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সূত্রের খবর, সেই কাজ বর্তমানে চলছে। তার মধ্যেই ফের এই অভিযোগ সামনে আসে।
মঙ্গলবার অবশ্য স্কুলশিক্ষা কমিশনারেট এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সঙ্গে যোগাযাগের চেষ্টা করা হলেও কেউ ফোন ধরেননি। তবে দফতর সূত্রের খবর, জেলা স্কুল পরিদর্শকদের থেকে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করার প্রক্রিয়াই চলছে।