রাহুর নাম শুনলে আমরা সকলেই অল্পবিস্তর ভয় পাই। জীবন যখন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে, তখন অনেকেই ভাবেন হয়তো কোনও অশুভ গ্রহের নজর তার উপর পড়েছে। এ ভাবনা খুব একটা ভুল নয়। গ্রহদের খারাপ প্রভাবে জীবন সত্যিই কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে রাহুর কুপ্রভাব অত্যন্ত মারাত্মক হয়। রাহু যদি কোনও ভাবে আপনার উপর রুষ্ট হন তা হলে নিমেষে সাজানো সংসার তছনছ হয়ে যায়। কোনও কাজই ঠিকঠাক হয় না। জীবনে চলার পথে বার বার বাধার সম্মুখীন হতে হয়। অর্থের সমস্যা পিছু ছাড়তে চায় না। কিন্তু রাহুকে পুনরায় তুষ্ট করতে পারলেই এই সকল সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে শাস্ত্রে নানা টোটকার উল্লেখ পাওয়া যায়। কিন্তু ব্যস্ত জীবনে সকলের পক্ষে টোটকা পালন সম্ভব হয় না। সে ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু মন্ত্রপাঠে মুক্তি মিলতে পারে। রাহুর কুপ্রভাব থেকে মুক্তি মিলবে কোন কোন মন্ত্রপাঠে, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
রাহুর মন্ত্র:
- রাহুর বীজমন্ত্র: ‘ওঁ ভ্রাং ভ্রীং ভ্রৌং সঃ রাহবে নমঃ’— এটি রাহুর বীজমন্ত্র। নিয়মিত ১০৮ বার এই মন্ত্রটি পাঠ করুন। জীবন স্বপ্নের মতো সুন্দর হবে। প্রতি দিন স্নানের পর ঠাকুরের সামনে বসে রাহুর বীজমন্ত্র পাঠ করলে উপকার পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুন:
- রাহু প্রণাম মন্ত্র: ‘অর্ধকায়ং মহাবীর্যং চন্দ্রাদিত্যবিমর্দনম্। সিংহিকাগর্ভসম্ভূতং তং রাহুং প্রণমাম্যহম্।।’— এটি রাহুর প্রণাম মন্ত্র। নিয়মিত এই মন্ত্র পাঠ করতে পারলে খুবই উপকার মিলবে। সেটি সম্ভব না হলে, শনিবার করেও এই মন্ত্র জপ করা যেতে পারে। শনিবার সন্ধ্যায় ১০৮ বার বিশেষ এই মন্ত্র জপ করতে পারলে দারুণ উপকৃত হবেন বলে বিশ্বাস। শুদ্ধ বসনে এই মন্ত্র পাঠ করা আবশ্যিক।
আরও পড়ুন:
- রাহুর মূলমন্ত্র: ‘ ওম রাং রাহবে নমঃ।।’— এটি রাহুর মূলমন্ত্র। ছোট্ট এই মন্ত্রের গুণাগুণ অনেক। জীবনের সকল সমস্যা কেটে যায়। কাজের পথে আসা সমস্ত বাধা থেকে মেলে মুক্তি। স্নানের পর নিয়মিত ১০৮ বার এই মন্ত্রোচ্চারণের নিদান দেন জ্যোতিষবিদেরা।