Advertisement
E-Paper

এসআইআর আবহে নির্বিঘ্নে মাধ্যমিক, স্কুলের গাফিলতিতে অ্যাডমিট পেল না পড়ুয়ারা! অভিযোগ করল পর্ষদ

পর্ষদ জানিয়েছে, পরীক্ষার প্রথম দিন পর্যন্ত ৫০ জন পড়ুয়ার অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করেনি ৪৫টি স্কুল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:২৮
দিনভর কেমন হল মাধ্যমিক পরীক্ষা।

দিনভর কেমন হল মাধ্যমিক পরীক্ষা। ছবি: সংগৃহীত।

এসআইআর আবহে নির্বিঘ্নেই মাধ্যমিকের প্রথম পরীক্ষা, দাবি পর্ষদের। সোমবার ছিল প্রথম ভাষার পরীক্ষা। এ দিন বিকেলে পর্ষদের তরফে দাবি করা হয়, বহু শিক্ষক, জেলা স্কুল পরিদর্শক এবং স্কুল পরিদর্শক ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধনের কাজে যুক্ত থাকলেও বড় পরীক্ষা গ্রহণে কোনও অসুবিধা হয়নি। তবে, গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে কোনও কোনও প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধেই। পর্ষদ জানিয়েছে, পরীক্ষার প্রথম দিন পর্যন্ত ৫০ জন পড়ুয়ার অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করেনি ৪৫টি স্কুল।

পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “এসআইআর-এর মধ্যে মাধ্যমিক হওয়ায় বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা করেছিলেন অনেকে। তবে আমরা নিশ্চিন্তই ছিলাম। প্রথম দিন কোনও অসুবিধাই হয়নি। শিক্ষক ও আধিকারিক, যাঁদের যেমন দায়িত্ব ছিল, সকলেই তা পালন করেছেন।”

যদিও কোনও কোনও স্কুলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এসআইআর-এর কারণে শিক্ষকের ঘাটতি থাকায় সমস্যায় পড়তে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে। দমদমের বাবুজি কলোনির আদর্শ বুনিয়াদি বিদ্যামন্দির হাই স্কুলের প্রধানশিক্ষক দেবব্রত সিংহ বলেন, “আমাদের স্কুলের যে সব শিক্ষকেরা বিএলও-র দায়িত্ব পেয়েছেন, তাঁদের কাউকেই পরীক্ষার কাজ দেওয়া হয়নি। পার্শ্ববর্তী স্কুলের শিক্ষকেরা এসে পরীক্ষার সব দায়িত্ব পালন করেছেন।”

জেলায় জেলায় বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরের সাউথ সাইট হাইস্কুলে ভুয়ো নথি-সহ ধরা পড়ে এক ছাত্র। অন্য দিকে, পরীক্ষা চলাকালীন বাঁকুড়ার গোপীনাথপুর সরোজ বাসিনী হাই স্কুলে মোবাইল-সহ ধরা পড়ে এক পরীক্ষার্থী। জানা গিয়েছে, ওই পরীক্ষার্থী দেওপাড়া চাপামনি হাই স্কুলের ছাত্রী। পরীক্ষা শুরুর দেড় ঘণ্টা পর তার মোবাইল উদ্ধার হয়। তবে পর্ষদের দাবি, মোবাইলে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। যদিও বিধি অনুযায়ী, ওই ছাত্রীর পুরো পরীক্ষায় বাতিল করা হয়েছে।আবার, বীরভূমের রামপুরহাটের ডিআরএসএম বিদ্যায়তনের দুই ছাত্রের খাতা আরএ হয়েছে। অভিযোগ, তারা খাতা বাইরে নিয়ে গিয়েছিল।

পর্ষদের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, বহু স্কুল অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করেনি শেষপর্যন্ত। ৫৩টি স্কুলের মধ্যে তিনটি স্কুলে সরাসরি প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে উঠেছে গাফিলতির অভিযোগ। পর্ষদের দাবি, কোনও স্কুলের প্রধানশিক্ষক তাঁর ছেলেকে, আবার কোনও স্কুলের প্রধানশিক্ষক তাঁর ভাগনেকে অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করতে পাঠান।

তবে অপ্রীতিকর ঘটনার খবর এ বার কমই পাওয়া গিয়েছে। গত কয়েক বছরে মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে সবচেয়ে বেশি অশান্তির খবর এসেছে মাধ্যমিকে। অনেক স্কুলেই অভিযোগ উঠেছিল পরীক্ষার্থীরা বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে প্রবেশ করেছে। এ বার সে সব স্কুলগুলিই নিজ উদ্যোগে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। কোথাও কোথাও কিনে নেওয়া হয়েছে মেটাল ডিটেক্টর।

WBBSE Madhyamik 2026 Madhyamik Exam 2026 WBBSE WBBSE Schools
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy