শিক্ষা দফতর এখনও নিজের দায়িত্বেই রেখেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে, দীর্ঘ দিন ধরেই জল্পনা চলছে স্বপন দাশগুপ্ত বা শঙ্কর ঘোষকে এই দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ দিকে মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ হয়েছে। শুরু হবে নতুন শিক্ষাবর্ষ। এরই মধ্যে রাজ্যের স্কুলগুলিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতি ২০২০ প্রযুক্ত হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোন পথে এগোবে এ রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা— তা নিয়ে আলোচনা করতেই বিকাশ ভবনে স্বপন দাশগুপ্ত ও শঙ্কর ঘোষ-সহ বেশ কয়েক জন বিধায়ক।
সোমবার বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া ওই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে আগামী পরিকল্পনা নিয়ে। এই সময়ের মধ্যে শিক্ষা দফতরের কাজ কী ভাবে ঢেলে সাজা যাবে, তা নিয়ে দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন ১৭ জন বিধায়ক।
সূত্রের খবর, স্কুল ও উচ্চ শিক্ষা দফতরের নানা বিষয় নিয়ে এ দিন আলোচনা হয়। পিএমশ্রী স্কুল-সহ জাতীয় শিক্ষানীতি শীঘ্রই কার্যকর হবে এ রাজ্যে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন হবে বলেই মত শিক্ষামহলের।
আরও পড়ুন:
বৈঠকের পর শঙ্কর ঘোষ বলেন, “গত কয়েক বছরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে শিক্ষা ক্ষেত্রে, তা থেকে বেরিয়ে এসে আগামীর দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রত্যেকের সহযোগিতা প্রয়োজন। সকলের মতামত নিয়ে শিক্ষানীতি নির্ধারণ করা হবে।” বৈঠকের পর তাঁকে প্রশ্ন করা হয় পাঠ্যক্রম নিয়ে। গত কয়েক বছরে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পাঠ্যক্রম থেকে বাদ পড়েছেন কবি সুকান্ত ভট্টচার্য। যুক্ত হয়েছে, সিঙ্গুর বা নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মতো সাম্প্রতিক বিষয়। সে সবে কি পরিবর্তন আসবে? এ প্রশ্নের উত্তরে শঙ্কর বলেন, “শিক্ষা দফতর মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই রয়েছে। সিদ্ধান্ত কী হবে, তা আমরা বলতে পারব না। তবে যা হবে তা সর্বসম্মতিক্রমেই হবে।”